Popular Topics

এক দুঃখিনি মায়ের গল্প।আমার মা নিজে ছোট বেলা থেকে অনেক কষ্ট করে আসছেন।শত মায়ে লাথি ঝাটা খেয়ে একবেলা খেয়ে না খেয়ে পরের বাড়ি কাজ করে আনেক কষ্টে বড় হয় আমার মা।আমার নানা বাড়ি সাতক্ষীরা,আশাশুনি।আমার মায়ের বিয়ে হয় সাতক্ষীরা সদর,কামালনগরে।সেই খানেও সুখ মিললো না আমার মায়ের।আমার জন্য হওয়ার আগে থেকে আমার মাকে মারতো আমার জন্ম হয় আমাকে মেরে ফেলার অনেক চেষ্টা করে।আমার দাদা আমার নামে ও আমার মায়ের নামে ৫শতক জমি লিখে দেয়।১৯৯৩তে আমার মাকে তালাক দিলো।আমার নানা আমাকে ও আমার মাকে নিয়ে চলে আসলো চট্টগ্রাম আন্দরকিল্লায় একবাসায় শুধু থাকা খাওয়া।তখন আমার বয়স ৪ বছর।নানাদের খুব অভাবের সংসার।চট্টগ্রাম আন্দরকিল্লায় থেকে আমার মায়ে বিয়ে হয় চট্টগ্রাম,সাতকানিয়ায় সেই খানেও কষ্ট আমার মায়ে পিছু ছারলোনা।আমার বয়স যখন ৬ তখন বাবা আমাকে ও মাকে নিয়ে শহরে আসে মা গার্মেস করতো ৯০০টাকা বেতন ছিলো।বাবা একদিন কাজ করলে আর ছয় দিন গরে বসে থাকতো।কিন্তু কোন দিন মিথ্যা কথা বলতেন না কারো কাছে টাকার জন্য ধার করতেন না।না খেয়ে থাকতেন তার পরেও টাকার জন্য কারো কাছে যেতেন না।আমার মায়ের কষ্ট কে দেখে।বাসা ভারা,খাওয়া,পরাশুনা,বাবার সিগারেট,জামা কাপোর আরো কত কি।তাদের জমি জায়গা কিছু নাই।আছে শুধু বসত বাড়ি।আমি লেখা পরা করতে পারলাম না ১০ শ্রেণীতে পরিক্ষা দিতে পারলাম না আমার শত বাবা মারা গেলেন ফুসফুসে কেন্সাছারে কারণে।আমার শত বাবা আমার জন্য কিছু রেখে গেলো না।না কোন টাকা পয়সা,না কোন জমি জমা।আমি চায়না কোন কিছু।আমার বাবা আমাকে তার চেয়ে অনেক অনেক বড় কিছু রেখে গেছেন তা হলো।আমার পিতার পরিচয়।কেউ যদি জিগেসা করে তোমার আব্বার নাম কি? তখন কি বলতাম আমি কার নাম বলতাম।আমি লেখা পড়া বাদ হয়ে গেলো মায়ের মতো গার্মেন্টস করি।বিয়ে করলাম ভালবেসে। তার বাড়ি নোয়াখালী। আমার একটা ছেলে আছে।খুব আদরের।বিয়ের পর আমার স্ত্রীকে আমার জীবনের কথা বললাম।সে শুনে বিষাস করতে পারছিলো না।কি করবো সৎ কখনো চাপা থাকেনা তাই।মা চাকরি করা বন্ধ দিলো আমার ছেলের ৪ বছর বয়সে।এখন আমার ছেলের বয়স ৫বছর।আমার চাকরি ও আমার স্ত্রীর চাকরি চলে যায়।কারন গার্মেন্টসে ট্রেড ইউনিয়ন করার কারনে।আমার মা ও আমার ছেলে সাতক্ষীরা আমার নানা বাড়িতে আছে।আর আমি ও আমার স্ত্রী চট্টগ্রাম ইপিজেড আছি।আমার স্ত্রী চিটাগং নিডে চাকরি নেয়।কিন্তু আমার এখনো চাকরি হয়নায়।আমি সুয়েটার এর কাজ জানি।আর কিছু জানি না।এক বছর হয়ে গেছে চাকরি হয়নাই।তার ভিতরে আমার স্ত্রী যেখানে চাকরি করে সেখানে আমার চাকরির কথা বললে আমার চাকরির ডাকপরে গেলাম কাগছ পত্র সব ঠিক ঠাক করে।আমাকে গেটের ভিতর ঢুকালো।কাগজ পত্র দেখলো।সার অফিসে ঢুকেগেলো ২০ মিনিট অপেক্ষা করার পর।তার পর বলে।আজ মেনেজার আসেনাই কাল তোমাকে ডাকবো।ঠিক আছে সার সালাম দিয়ে চলে গেলাম বাসাই।১২টার সময় আমার স্ত্রী ফোন দিয়ে বলে আপনার বাড়ি সাতকানিয়া বলে।সাতকানিয়া মানুষ এইখানে ভাংচোর করে গিয়ে ছিলো।তাই চাকরি হবে না।শুনে আমার মাথায় বাড়ি পরলো।গার্মেন্টসে চাকরি নেয়া চেষ্টা করলাম কিন্তু লাভ হলো না।কারণ গার্মেন্টসে ছেলে নিতে চাইনা।কি আর করার।আমার নেই কোন টাকা পয়সা।চাকরি করে বাসা ভারা,খাওয়া,কাপোর চোপর কিন্তে শেষ।আমার ভবিষ্যতের তো অন্ধ কার আমার ছেলের কি ভবিষ্যৎ অন্ধ কার হবে।ছেলের বয়স এখন ৫বছর চলছে।ওর পিছনে কতো খরচ।আমার স্ত্রীর চাকরির টাকায় সংসার চলে।আমার নিজের কাছে খুব লজ্জা লাগে।চাকরি নেই আমার।সাতক্ষীরায় তো আমার ও মায়ের ৫শতক জমি দিয়ে গিয়েছিলো দাদা।তার কাগজপত্র সব কিছু বের করে খাজনা সরকারি খরচ সব দিয়ে দিলাম।শুধু বাকি দখল।আমার চাচারা জমি দিতে চায় না আমাকে।আমার আম্মার ফুপাতো ভাই সাংবাদিক।সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবে বর্তমানে সাধারণ সম্পাদক।তিনি পোরসভায় বিচার দেয় জমির জন্য।জমির জন্য ৩বছর ধরে লরায় করছি।কোন লাভ হয়নাই।পোরসভার চেয়ারম্যান বি এম পি করে তিনি একবার ঢাকা একবার কলকাতা যাওয়া আসা করে।আপন মামা তো নয়।জমি এই ভাবে পরে রয়লো।দখল আর হবে না মনে হয়।যদি পারেন আমাদের সাতক্ষীরার জমি ৫শতক নিয়ে দিলে আপনাদের কাছে চির কিত্গ থাকবো।আমার পরিবারে আমি,মা,স্ত্রী ও ছেলে।

Answered By : Maya Apa

  2 years ago

প্রশ্ন করুন আপনিও