Popular Topics

আমার এক মেয়ে ফেন্ড আছে ও আমাকে কিছু কথা বলব।ও বলল জীবনটা আমার কিন্তু আমার কোনো অধিকার নেই আমার উপর।ওর ভালো লাগা খারাপ লাগা কিছু বলতে পারে না মা বাবার কাছে।ওর নিজের মতের কোনো গুরুত্ব নেই তাদের কাছে।শুধু মা বাবার মনের মতো করে পরিচালনা করে ওকে।ও বড় হইছে পর্যন্ত ও নিজের ইচ্ছে কিছু করতে পারে নাই।সবসময় মা বাবা ওর ইচ্ছার বিরুদ্ধে গেছে।ওর মা বাবা শুধু অন্যের কথা বেশি শোনে।কিন্তু ওর মা বাবা বুঝতে চায়না যে ওরতো মন আছে ওরতো ইচ্ছে আছে ওরতো মতামত প্রকাশ করার অধিকার আছে যা তাদের শোনা দরকার।ওর ইচ্ছে গুলো মার কাছে বললে মা আরো অন্য কিছু বোঝার।ওর বাবার অনেক স্বপ্ন আছে ওকে নিয়ে ও তাঁর বাবার স্বপ্ন পূরণ করতে চায়।ও আরো লেখাপড়া করতে চায় কিন্তু ওর মা আর বাড়ির চায়না।ওর মা ওকে বিয়ে দিতে চায় কিন্তু ও এখনি বিয়ে করতে চায়না।ওর মা ওকে বিয়ে করার জন্য চাপ দিচ্ছে।কিন্তু ও এখন বিয়ে করবে না।ও আরো বলল বেশি চাপ দিলে নাকি আত্মহত্যা করবে।ওর স্বপ্ন হলো ও ওর মনের মতো একজন মানুষ চায় যে ওর চোখ দেখে ওর মনের কথা বুঝবে তার ভালোবাসা দিয়ে ওকে তার মতো করে নিবে।তাহলে ওর কি করা উচিত।

Answered By : Maya Apa

  1 year ago

কথা বলার চেস্টা অনেক করেছি। অদ্ভুত আচরণ করে, উনি যে কারনে-অকারনে জগড়া করে, সব জগড়াতেই উনার পক্ষ নিতে হবে! কেউ উনি কি চায়, কি করলে উনি খুশি হবেন জিজ্ঞাস করলে উলটাপালটা বকে। "ছুরি নিয়া আইসা আমারে জবাই করে দে, টাংকিতে গুম করে দে" "মাইরা ড্রেইনে ফেইলা দে", " ঘর থেকে বের করে দে".   জগড়া করাটা, মানুশকে গালি- গালাজ করাটা অনেক শখের,মজার বিসয়ে পরিণত হয়েছে! রান্না করার সময় খাবারে উনার চুল পড়ে অত্যাধিক। আমি হেড ক্যাপ এনে দিয়েছি পরার জন্য রান্নার সময়। কিন্তু উনার এক কথা - খাবারে চুল পড়লে চুলসহ খেতে হবে। উনি হেডক্যাপ ও পরবেন না, বুয়াও রাখবেন না। এইসব কারনে, বন্ধুদের কাউকে বাসায় দাওয়াত দিতেও ভয় লাগে। সব যে উনার খারাপ তা না, মন চাইলে সরবচ্চ দিয়ে মানুশকে সাহাজ্য করে আবার অধিকাংশ সময়ে এই ধরনের আচরণ করে। যে কোন কিছুকেই নেগেটিভ ভাবে নেওয়ার অদ্ভুত ক্ষমতা আছে উনার! উনি ২০১৪ র মাঝামাঝি থেকে ক্যান্সারের প্যাসেন্ট। গত ১-১.৫ বছরের মত ক্যান্সারের দিক থেকে তেমন সমস্যা নেই

Answered By : NS

  1 year ago

আমার ছেলের বয়স ৩২ মাস। ফ্যামিলি মেম্বার আমরা তিন জন। ওর যন্ত্রনায় আমরা কেউ টিকতে পারছি না। সারাদিন এটা ওটা দিয়ে টাকাটাকি, এটা ভাংগা ওটা ভাংগা, ঠান্ডা ভদ্র ভাবে অনেক কিছু বুঝিয়ে বললেও কিছু কাজ বার বার করা, যাকে বলে ঘাড় ত্যারামী করা, একটা সিলভারের পাতিল নিয়ে সারাদিন খেলা এসব করে। ইদানীং কিছু বললে হাতে কিছু থাকলে সেটা দিয়ে আমাদের আঘাত করে, লাথি দেয়, থাপ্পড় দেয়। একটু সস্তিতে একটা নাটক বা মুভি দেখা, একটু বই পড়া কোন কিছু লেখা বা কোন কাজ কিছই করতে পারিনা। সব কিছুতেই ওর বাগড়া। অনেক সহ্য করে ওর মা। মাঝে মাঝে মাইর ও খায়। এতো জালাতন করে যে ওর মা মাঝে মাঝে কেঁদে ফেলে কিভাবে একে কন্ট্রোল করবে এই ভেবে। ও সারাদিনে যা যা করে তার ৫% ও বলতে পারলাম না। বলুন এ অবস্থায় কি করনীয়।

Answered By : NS

  1 year ago

প্রশ্ন করুন আপনিও