প্রিয় গ্রাহক,আপনি সচেতন হয়ে আমাকে প্রশ্ন করেছেন এজন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। আপনার কথায় বুঝলাম আপনার  পড়ায় মনোযোগ দিতে অসুবিধা হচ্ছে যা নিয়ে আপনি চিন্তিত।গ্রাহক,পড়তে আসলে আমাদের কারোই ভালো লাগে না তাই পড়তে কম আগ্রহ হওয়াটা স্বাভাবিক। আপনি কি কারনে পড়ায় মনোযোগ দিতে পারছেন না তা কি আমাকে বলা যায়? আপনি কি কোন ব্যাপার নিয়ে মানসিক চাপে আছেন? অনেক সময় ব্যক্তিগত কোন বিষয় নিয়ে চিন্তিত থাকলে এমন হতে পারে। আপনি কি পড়ায় মনোযোগ ধরে রাখতে না পারায় দুশ্চিন্তায় আছেন? খুব বেশি অসুবিধা হলে চিন্তিত হওয়া স্বাভাবিক। যে সকল বিষয় আপনার মনোযোগ ব্যাহত করে  যেমন মোবাইল, ল্যাপটপ ইত্যাদি সেগুলো পড়ার সময় যথাসম্ভব দূরে রাখতে পারেন। ।পড়ার সময় যে চিন্তাগুলো মাথায় আসে তা খাতায় লিখে রাখতে পারেন, সমস্যা নির্নয় হলে তা পরে সমাধানের চেষ্টা করে দেখতে পারেন।পড়তে বসার আগে ঠিক করে নিতে পারেন কি কি পড়বেন। পড়ার জন্য একটি রুটিন করে ফেলতে পারেন। শব্দ মনযোগ কমিয়ে দিয়ে থাকে তাই পড়ার সময় যথাসম্ভব শব্দহীন পরিবেশ তৈরী করতে পারেন এতে মনোযোগ  বাড়তে পারে। পড়ার টেবিল পরিষ্কার ও বই গুছিয়ে রাখতে পারেন, এতে পড়ার পরিবেশ সুন্দর হবে ও মনযোগ বাড়তে পারে। এছাড়া পড়ার ফাঁকেফাঁকে একটু ব্রেক নিতে পারেন এতে মনোযোগ ধরে রাখতে সুবিধা হয়। পড়তে বসার আগে আপনি ব্রিথিং এক্সারসাইজ করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনি লম্বা করে শ্বাস নিয়ে আবার লম্বা করে প্রশ্বাস ছেড়ে দিবেন। এবারে অন্তত ৩ বার করতে পারেন। ব্রিথিং এক্সারসাইজ এর ফলে আমাদের ব্রেইনে অনেকটা অক্সিজেন প্রবেশ করে যা আমাদের ব্রেন এর কার্যক্ষমতা বাড়ায়।আশা করছি আমি আপনাকে একটু হলেও সাহায্য করতে পেরেছি। আপনার পাশে আছে মায়া।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও