প্রশ্ন সমূহ
আর্টিকেল
মায়া ফার্মেসী

মায়া প্রশ্নের বিস্তারিত


প্রিয় গ্রাহক,

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

গ্রাহক আপনার ভাষ্যে বোধগোম্ম হচ্ছে যে আপনি কিছুটা মানুষিকভাবে ভেগে পড়েছেন এতসব ঔষুধ খেয়ে।
গ্রাহক যেকোনো জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির কিছু পার্শপ্রতিক্রিয়া থাকে। আপনি দুই তিনটির সম্মিলিত পদ্ধতি বেবহার করেছেন। এর ফলে অনেক ক্ষেত্রেই মাসিক অনিয়মিত হয়ে যায় । সেই সাথে কারো কারো মাথা ব্যথা , বমি ভাব ও বমি দেখা দিতে পারে। এইসকল পদ্ধতি বেবহার বন্ধের পরে অনেকের ক্ষেত্রে সাথেই সাথেই বাচ্চা নেয়ার (fertility) ক্ষমতা ফিরে আসে। আবার কারো ক্ষেত্রে এক বা একের অধিক বছর লেগে থাকে fertility ফিরে আসতে। এছাড়া মাসিক যদি বন্ধ থাকে বা ২৩-৩৫ দিনের চক্রের মধ্যে না থাকে অথবা ৮ দিনের বেশি রক্তপাত ঘটে সেক্ষেত্রে ডাক্তার এর শরণাপন্ন হওয়া উচিত।
গ্রাহক আপনার কাছে কি একটু জানতে পারি যে ডাক্তার আপনাকে এতগুলো মেডিসিন কি কারণ দর্শিয়ে দিয়েছিলেন।
মাসিক দুই /তিন দিন আগে বা পরে হওয়া মাসিক চক্রের অন্তর্ভুক্ত। এটি কোনো মূল সমস্যা নয়। যদি আপনার ও আপনার স্বামীর কোনো শারীরিক উপসর্গ বা রোগ না থাকে সেক্ষেত্রে আপনারা ওভুলেশন এর সময়ে অনিরাপদ সহবাস করবেন। ওভুলেশন টি আপনি বুঝতে পারবেন যখন দেখবেন আপনার শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে , ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ পাতলা সুতোর মতন। সাধারণত এটি পরবর্তী মাসিকের ১৪-১৬ দিন আগেই হয়। এই সময়ে অনিরাপদ সহবাস গর্ভবতী হতে চাইলে তাদের জন্য উত্তম। এছাড়া আপনি ওভুলেশন ক্যালকুলেটর এর মাদ্ধমে সেফ এন্ড আনসেফ পিরিয়ড দেখে নিতে পারেন ও আনসেফ পিরিয়ড এ অনিরাপদ সহবাস এ উপকৃত হবেন। http://www.babycenter.com/ovulation-calculator. এরূপ ভাবে এক বছর বা এর কিছু অধিক সময় চেষ্টা করার পর যদি না হয় সেক্ষেত্রে আপনি ও আপনার স্বামী ডাক্তার (gynecologist) এর শরণাপন্ন হতে পারেন bangladesh medical college and hospital এ বা নিকটবর্তী হাসপাতাল এ। এক্ষেত্রে স্বামীর পরীক্ষা করেও Semen Analysis এর মধ্যেও নিশ্চিত করা হয় উভয়ের কারো অন্য কোনো উপসর্গ আছে কিনা।
আপনি দুশ্চিন্তা করবেন না। নিজের যত্ন নিন। টেনশন এর জন্য অনেক ক্ষত্রে গর্ভধারণে আরো বেশি সময় লেগে থাকে।

আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি।

আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন,

রয়েছে পাশে সবসময়,

মায়া আপা ।



প্রশ্ন করুন আপনিও