প্রিয় গ্রাহক,উত্তর দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আমি অনুমান করতে পারছি আপনার কেমন লাগছে। তাকে বিশ্বাস করা আপনার জন্য কঠিন হয়ে উঠেছে।গ্রাহক, আপনি এই বিষয়গুলো নিয়ে আপনার স্বামীর সাথে সরাসরি ঠাণ্ডা মাথায় কথা বলার চেষ্টা করেছেন কি? আপনি কিভাবে বুঝলেন যে সে এমন করছে বা মিথ্যে কথা বলছে? ঝগড়া বাদে অন্য সময় আপনাদের সম্পর্ক কেমন থাকে?যেহেতু আপনি একটি সিদ্ধান্ত নিতে চাচ্ছেন, তার আগে সব রকম তথ্য সংগ্রহ করা উত্তম হবে। নিজেকে প্রশ্ন করতে পারেন যে কি হলে আপনি নিজের কাছে নিশ্চিত হবেন যে সে ঐ মেয়ের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করছে। আপনার কাছে পর্যাপ্ত প্রমাণ থাকলে আপনার জন্য পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হবে। এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আচরণগুলোর 'অর্থ'। যেমন, সে ঐ মেয়ের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করছে - তার মানে কি? আবার আপনার সাথে সে বিবাহিত এবং আপনাকে কথা দিচ্ছে যে এমনটি আর করবে না - এর বা মানেই কি দাঁড়ায়? কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এই ব্যাপরগুলো সময় নিয়ে বুঝার চেষ্টা করুন।আপনার কষ্টগুলো বিশ্বস্ত কোন বন্ধুর সাথে শেয়ার করতে পারেন। অথবা ডায়েরিতে লিখতে পারেন। তবে লেখার পর ঐ পাতাগুলো ছিড়ে ফেলে দিবেন। কষ্টের কথা পরে পড়লে মন খারাপ হবে। এছাড়া টেনশন বাদ দিয়ে আপনার ভাল লাগে এমন কাজগুলো বেশী করে করবেন। খুব বেশী টেনশন হলে ডীপ ব্রীধিং করবেন: খুব ধীরে ধীরে বুক ভরে শ্বাস নিবেন। এবার ৫ সেকেন্ড ধরে রাখবেন। তারপর আবার খুব ধীরে ধীরে ছেড়ে দিবে৷ এভাবে ৮-১০ বার করবেন। এতে আপনার মন অন্য দিকে সরে আসবে এবং শরীর শান্ত হবে।আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে মায়াকে জানাবেন।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও