প্রশ্ন সমূহ
আর্টিকেল
মায়া ফার্মেসী

মায়া প্রশ্নের বিস্তারিত


প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কতদিন ধরে সর্দি হয়েছে ?সাথে কাশি আছে ? শ্বাসকষ্ট আছে?  আমাদের জানান। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এসব সর্দি-কাশি ভাইরাসের আক্রমণের কারণে বা অ্যালার্জির কারণে হয় এবং এক সপ্তাহের মাথায় সেরে যায়। বর্তমানে ছোট্ট শিশুদের এ ধরনের সমস্যায় কোনো ওষুধ বা চিকিৎসার চেয়ে সাধারণ যত্নআত্তির দিকেই জোর দেওয়া হয়। এরজন্য -আধা কাপ কুসুম গরম পানিতে চা-চামচের ৪ ভাগের ১ ভাগ লবণ গুলে স্যালাইন ড্রপ তৈরি করুন। বাজারে স্যালাইন নাকের ড্রপ কিনতেও পাওয়া যায়। -একটা তোয়ালে বা কাপড় রোল করে শিশুর মাথার নিচে দিয়ে তাকে চিত করে শোয়ান। এবার ৩০ থেকে ৬০ মিনিট পর পর দুই বা তিন ফোঁটা ড্রপ দিয়ে নাক পরিষ্কার করে দিন। -ড্রপ দেওয়ার পর কাত করে শুইয়ে দিয়ে তরল সর্দি বেয়ে পড়তে দিন, টিস্যু দিয়ে মুছে দিন। কটন বাড নাকের ভেতর ঢোকাবেন না। -দুই বছর বয়সের নিচে নাকের ডিকনজেসটেন্ট ড্রপ বা স্প্রে ব্যবহার করা নিষেধ। ডিকনজেসটেন্ট জাতীয় ওষুধ নাকের শিরাগুলোকে সংকুচিত করবে, এটি নাক দিয়ে পানি পড়া রোধ করবে না। —আপনার শিশুকে মায়ের বুকের দুধই বারবার দিন। সাথে সর্দি- কাশির জন্য কুসুম গরম পানিতে মধু, আদার রস বা তুলসী পাতার রস, লেবু দিয়ে গরম পানি বা চা ইত্যাদি দিতে পারেন। এগুলো কাশি থাকলে কফ তরল করতে সাহায্য করবে। —সর্দি-কাশি বা অরুচির জন্য শিশু একবারে বেশি খেতে পারে না, তাই বারবার খাবার দিন। পানিশূন্যতা রোধে তরল খাবার বেশি দিন। ভিটামিন সি-যুক্ত ফল, যেমন: লেবু, কমলা, মালটা, আমলকী ইত্যাদি উপকারী। —আপনার বাবুর যেন গরমে ঘেমে ঠান্ডা না লাগতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখুন। কখন সতর্ক হতে হবে :- সাধারণ যত্ন ও পুষ্টি বজায় রাখলে এই সমস্যা সাত থেকে ১০ দিনের মধ্যে সেরে যাওয়ার কথা। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে এটি জটিলও হয়ে যেতে পারে। লক্ষ রাখুন কয়েকটি বিষয়। যদি শিশু ঘন ঘন শ্বাস নিতে থাকে, নিঃশ্বাসের সঙ্গে পাঁজর ভেতর দিকে দেবে যায়, শিশু খাওয়া বন্ধ করে দেয় ও নিস্তেজ হয়ে পড়ে, খিঁচুনি হয় বা জ্বর অনেক বেড়ে যায় বা দীর্ঘস্থায়ী হয় তবে অবশ্যই নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুন। গ্রাহক, আপনাকে কিছু প্রশ্ন করি - আপনার শিশু কি পায়খানা করার সময় কান্না করে? পায়খানা কি শক্ত ? পেট শক্ত হয়ে ফেপে থাকে? সপ্তাহে ৩ বারের মত পায়খানা করে ? খাওয়া দাওয়া কি আগের চেয়ে কমে গেছে? এই সকল সমস্যা যদি আপনার শিশুর মধ্যে দেখা যায় তাহলে কিছু কারণ লক্ষ্য করতে হবে- * হটাত ফর্মুলা খাওয়া শুরু করেছে কিনা - বুকের দুধের চেয়ে ফর্মুলা হজম হতে সময় বেশি নেয় *নতুন শক্ত খাবার শুরু করলে - শিশু যখন প্রথম বাইরের খাবার খায় তখন তার শরীর নতুন এই খাবার এর সাথে অভ্যস্ত হতে সময় নেয়. কম আশ যুক্ত খাবারেও সমস্যা তৈরী হয় *পানিশুন্যতা - শিশু পানি কম খেলেও এই রকম সমস্যা হতে পারে * কিছু শিশুর ক্ষেত্রে কষা পায়খানার সমস্যা টি জন্মগত , তারা প্রথম থেকে রেগুলার পায়খানা করে না ভয় পাবেন না, ধৈর্য ধরে নিচের নিয়মগুলো মেনে চললে আসা করি সমস্যা কমে যাবে- #আপনার শিশু যদি ফর্মুলা খায় , তাহলে ফর্মুলা দেয়ার মাঝে মাঝে তাকে বাড়তি পানি খাওয়াবেন। আর ফর্মুলা কৌটায় দেয়া পদ্ধতি অনুযায়ী বানাবেন।   #শিশু যদি নতুন সলিড খাবার খাওয়া শুরু করে তাহলে খাদ্যতালিকায় খিচুরির সাথে সবজি দিতে পারেন।   # ফলের রস খাওয়াতে পারেন। #শিশু যখন পায়খানা করবে তখন শোয়ানো অবস্থায় তার পা দুটি বাই সাইকেল চালানোর সময় যেভাবে পা নাড়ানো হয় সেভাবে নাড়াবেন। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।



প্রশ্ন করুন আপনিও