গ্রাহক আপনাকে ধন্যবাদ আমাদের সাথে পরামর্শ করার জন্য | আক্রান্ত শিশুরা প্রচুর ঘামে, বিশেষ করে কপালে এদের ঘাম বেশি দেখা যায়। শিশু ফনটানেল সঠিক সময়ে বন্ধ হয় না। শিশুর করোটির হাড়ের গঠন এবং মিলন ঠিকভাবে সম্পন্ন হয় না।শিশুর দেহের সব ভর পায়ের ওপর পড়ে বলে পা এবং হাঁটুর মাঝখানের হাড় ধনুকের মতো বেঁকে যায়। এ অবস্থাকে বলা হয় ‘নক নী’ বা বো-লেগস।রিকেটস আক্রান্ত শিশুদের পাঁজরের হাড়গুলো হয় দুর্বল, অপুষ্ট এবং চাকা। ফলে এদের বক্ষদেশ হয় সরু। এরকম অবস্থাকে বলা হয় পিজিয়ন চেস্ট। পেট স্বাভাবিক অবস্থার চেয়ে বড় দেখা যায়।রিকেটস আক্রান্ত শিশুদের কপাল ও বুকের হাড় উঁচু দেখা যায়। বুকের হাড় সরু, নরম ও উঁচু দেখা যায় বলে অনেকটা মুরগির বুকের মতো দেখায়। দাঁতের হাড়ে খনিজ লবণের (ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস) অবক্ষেপণ হয় না বলে দাঁত বিলম্বে ওঠে কিংবা কখনোই ওঠে না। শিশুর কব্জি, হাঁটু এবং অন্য জয়েন্টগুলো মোটা থাকে এবং ফোলা দেখা যায়। রিকেটস আক্রান্ত শিশুর চিকিৎসা না হলে এক সময় মেরুদণ্ডের হাড়গুলো এঁকেবেঁকে যায়। এ অবস্থাকে বলা হয় কাইফোসিস। শিশুর হাড়ের বৃদ্ধি ব্যাহত হয় বলে দেহের বৃদ্ধিও কমে যায়। ফলে শিশু বামন বা ক্ষুদ্রাকৃতির হয়।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও