প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ । শারীরিক দুর্বলতা কাজের উৎসাহ একেবারে নষ্ট করে দেয় কিন্ত এই ধরণের শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে প্রয়োজন আমাদের একটু সতর্কতা। সকালের সূর্যের আলো গ্রহন করুন। সকাল ৭ টায় সূর্যের আলোর মধ্যে যাওয়ার চেষ্টা করুন, এতে করে দেহে ভিটামিন ডি পৌছায় যা আমাদের দেহের হাড়ের গঠন সুগঠিত করার পাশাপাশি আমাদের শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে সহায়তা করে। মাথা ঘোরানো কিংবা শরীরে শক্তি না পাওয়ার সমস্যা সমাধান করে।কাজের ফাঁকে খানিকক্ষণ বিশ্রাম গ্রহন করুন । কাজের ফাঁকে খানিকটা সময় পাওয়ার ন্যাপ অর্থাৎ মাত্র ৩০ মিনিটের ঘুম দেহের কোষগুলোকে তরতাজা কর তোলে। ফলে আমরা কাজের মাধ্যমে যে শক্তি হারাই এবং দুর্বলতা অনুভব করি তা পুনরায় ফিরে আসে এবং আমাদের শারীরিক দুর্বলতা কেটে যায়। পর্যাপ্ত পানি পান করুন, আমাদের দেহ পানিশূন্য হলে আমরা শারীরিকভাবে প্রচণ্ড দুর্বল হয়ে পরি তাই নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা উচিৎ। সকলের দেহ হাইড্রাইট থাকলে শারীরিক দুর্বলতার সমস্যা কেটে যায়, একেবারে এনার্জি সমৃদ্ধ কিছু খাবার রাখুন হাতের কাছে যখনই শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়বেন তখন তাৎক্ষণিক ভাবে এমন কিছু খাওয়া উচিৎ যা দেহে শক্তি ফিরিয়ে দেবে। বাদাম খেজুর এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার হাতের কাছে রাখবেন। সব সময় এতে করে শারীরিক দুর্বলতাকে কাটিয়ে উঠা সম্ভব। পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমান, ঘুমের পরিমাণ কম হলেও আমরা শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পরি । কারণ ঘুমের মাধ্যমে আমাদের দেহের ও মস্তিষ্কের কোষ নতুন করে শক্তি অর্জন করে। যখন ঘুম কম হয় তখন মাথা ঘোরানো এবং দুর্বলতা অনুভব করার পরিমাণ বেড়ে যায় তাই পর্যাপ্ত ঘুমই দূর করতে পারবে । শারীরিক দুর্বলতা ব্যায়াম মেডিটেশন yoga করতে পারেন এগুলো আপনাকে সতেজ রাখবে কাজ করার অনুপ্রেরণা যোগাবে, খাওয়ার রুচি বাড়াবে, দুর্বলতা কমবে। শরীর ফিট রাখবে মাল্টি ভিটামিন ট্যাবলেট খেতে পারেন। যা আপনার মেটাবলিজম এ সাহায্য করবে দুর্বলতা কমাবে। ঘুম একদিক দিয়ে শরিরের জন্য খুব উপকারি।প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সাধারণত দিনে ৮ ঘণ্টার কাছাকাছি ঘুমকে আদর্শ বলে ধরা হয়।কিন্তু বেশি গুমের জন্য যদি শরীরে আরও ক্লান্তী বা অবসাদ আসে এবং দৈনন্দিন কাজে ব্যাঘাত ঘটায় তবে তা হতে পারে কোন শারীরিক বা মানুষিক রোগের লক্ষণ ।করনীয়ঃ১. প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট রুটিন সময়ে গুমাতে যওয়া। এবং ঘুম থেকে ওঠার জন্য এলার্ম ক্লক ব্যবহার করা।২.ঘুম ভাঙ্গার জন্য কফি বা চা খাওয়া। তবে সারাদিনে ৩-৪ কাপের অধিক নয়।৩. উঠে মর্নিং ওয়াকে যেতে পারেন।৪. নিজেকে কোন কাজে ব্যস্ত রাখুন।৪.হেভি মিল সম্পূর্ণ রুপে বর্জন করুন।৫. নেশাজাতীয় দ্রব্য বর্জন করুন।পড়তে আসলে কারোরই ভালো লাগে না, কিন্তু পড়ালেখা আমাদের সবাইকেই করতে হয়। পড়াটা আসলে যতটা না ভালো লাগা থেকে করতে হয়, তার চাইতে পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হয়। কবে আমার পড়া ভালো লাগবে, তখন আমি পড়বো, সেই আশায় থাকলে আসলে কখনো পড়া হবে না। তাই পড়ার অভ্যাসটা একরকম নিজের সাথে জোর করেই গড়ে তুলতে হবে। শুরুতে আপনি এক সপ্তাহ টানা প্রতিদিন ৩০ মিনিট করে পড়ুন। একেবারে না পড়ার চাইতে এটা অন্তত কিছু পড়া হলো। সহজে মেনে চলতে পারবেন এরকম একটা রুটিন করে রাখুন। দিনে ২/৩ ঘণ্টা করে প্রতিদিন পড়লেই কিন্তু অনেক পড়া হয়, ভালো ফলাফল লাভ করা যায়। প্রথম সপ্তাহের পর দ্বিতীয় সপ্তাহে সময়টা ১ ঘণ্টা করে ফেলুন। এরপরের সপ্তাহে ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট, তারপরের সপ্তাহে ২ ঘণ্টা করে পড়ুন। প্রতি ৩০ মিনিট পরপর বিরতি নিবেন। নিজেকে একটা টার্গেট দিবেন, যেমন এই সপ্তাহে বাংলা দুটা কবিতা পড়তে হবে। টার্গেট পূরণ করলে নিজেকে উপহার দিন। সেটা বন্ধুদের সাথে কিছুক্ষণ আড্ডা দেওয়া, নতুন গল্পের বই পড়া, পছন্দের কিছু খাওয়া বা আপনার পছন্দের যে কোন কিছুই হতে পারে। সপ্তাহে ১ দিন পুরো সপ্তাহের পড়াগুলো রিভাইস করুন, মাসে দুবার পুরো মাসের পড়াটা রিভাইস করুন। পড়ার পাশাপাশি বারবার লিখে লিখে জিনিসগুলো প্র্যাকটিস করুন। এতে পড়া বেশ মনে থাকে। পুরানো প্রশ্নপত্র যোগাড় করে তা সমাধান করুন। এতে আপনি কতদূর শিখলেন, নিজেকে যাচাই করা হয়। পড়তে বসার সময় ফোন, ল্যাপটপ সব দূরে রাখুন। বন্ধুরা কেউ কল/ টেক্সট করলে সেটার উত্তর পরেও দিতে পারবেন। পড়ার সময়টা শুধু পড়ার জন্যই রাখুন। দেখবেন কিছুদিনের মধ্যেই পড়ার অভ্যাস গড়ে উঠবে, পড়তেো তেমন খারাপ লাগবে না।আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে মায়া আপাকে জানাবেন। রয়েছে পাশে সব সময় ,মায়া আপা।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও