রোগের প্রকোপ অনুসারে এই রোগের চারটি ধাপ আছে। সেগুলো হল:১. প্রাইমারিঃ এই অবস্থায় আক্রান্ত হবার তিন সপ্তাহের মধ্যেই রোগীর শরীরে পোকার কামড়ের মত গোল গোল দাগ দেখা যায়।মাঝে মাঝে এগুলা ব্যাথাহীন এবং শক্ত হয়ে দেখা দেয় । একে শ্যাঙ্কার বলা হয়।২. সেকেন্ডারিঃ এই অবস্থায় সাধারনত শরীরের বিভিন্ন জায়গায় চুল্কানির র্যাশের মত হয় এবং নিয়মিত জ্বর, ওজন কমে যাওয়া এবং লিম্ফ্যাটিক গ্ল্যান্ড ফুলে যায় । এছাড়া কুঁচকিতে ভেজা ফোস্কার মত দেখা দিতে পারে।৩. ল্যাটেনটঃ এই অবস্থায় রোগ সুপ্ত অবস্থায় থাকে।৪. টারশিয়ারিঃ এটা অনেকদিন চিকিৎসা না করলে হয়। এই অবস্থায় রোগীর হার্ট , চোখ, ব্রেইন এবং নার্ভে সিরিয়াসসমস্যা দেখা দেয় এবং রোগী সাধারনত বাচে না। এসকল লক্ষন বা উপসর্গ দেখা দিলে সিফিলিস টেস্ট করিয়ে নিশ্চিত হন আপনার সিফিলিস হয়েছে কিনা।চিকিৎসাঃএই রোগটি এতই ভয়ঙ্কর যে চিকিৎসা না করে ফেলে রাখলে ভয় পরিস্থিতির জন্ম দিতে পারে। এর জন্য ডাক্তারের পরামর্শ মত সঠিক মাত্রার এন্টিবায়োটিক খেতে হবে।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও