প্রশ্ন সমূহ
আর্টিকেল
মায়া শপ

মায়া প্রশ্নের বিস্তারিত


আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।আমি কি আপনাকে কিছু প্রশ্ন করতে পারি? আপনার বয়স কত? আপনি ছেলে না মেয়ে? আপনার ওজন কত?

গ্রাহক আপনার জিব্বায় ইয়সাদা আস্কতরণ তদিন ধরে?জিব্বায় যদি ঘা হয় সেটা ঠিক হয়ে যাওয়ার পর সাদা দাগ এমনিই মিলিয়ে যাবে।

 ভিটামিনের অভাবে এমন ঘা হতে পারে। খুব শক্ত ব্রাশ বা ভুল কৃত্রিম দাঁত ব্যবহার করলেও মুখে বা  জিব্বায় ঘা হতে পারে। পরিপাকতন্ত্রের কিছু সমস্যায় এবং কিছু অটোইমিউন রোগের কারণে মুখে বা জিব্বায় ঘা হয়। তা ছাড়া জিবে ছত্রাক সংক্রমণ হতে পারে। তখন সাদা আস্তরণ পড়ে বা জিব টকটকে লাল হয়ে যায়। সাধারণত ডায়াবেটিস ও অন্যান্য কারণে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে গেলেই এ রকম সংক্রমণ হয়।
* জিবে ও মুখে ঘা হলে অম্লযুক্ত ফলমূল, যেমন: কমলা, লেবু, আনারস, টমেটো ইত্যাদি না খাওয়া ভালো। এসব ফল এবং অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবারে মুখের ঘায়ে জ্বালা হয়।
* সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি। রক্তশূন্যতা ও ভিটামিনের অভাব যেন না হয়। প্রচুর তাজা শাকসবজি খান প্রতিদিন।
* ধূমপান এবং পান, জর্দা, সুপারি অবশ্যই বর্জনীয়। মনে রাখবেন, যেসব ঘা থেকে ক্যানসার হয়, তার অন্যতম কারণ এগুলো।
* হালকা নরম শলাকাযুক্ত টুথব্রাশ ব্যবহার করা ভালো। দীর্ঘ সময় ব্রাশ দিয়ে অতিরিক্ত জোরে দাঁত ঘষবেন না। কৃত্রিম দাঁত ইত্যাদি ঠিকঠাক আছে কি না পরখ করে নিন।
* রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করুন, নইলে জিবে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। ছত্রাক সংক্রমণ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ছত্রাকরোধী জেল বা তরল ব্যবহার করতে পারেন।
* মুখে বা জিব্বায় ঘায়ের সঙ্গে প্রচণ্ড ব্যথা, জ্বর হলে এবং ঘা ছড়িয়ে পড়তে থাকলে বা তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে রয়ে গেলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।


আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি।

আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন,

রয়েছে পাশে সবসময়,

মায়া আপা ।


প্রশ্ন করুন আপনিও