প্রশ্ন সমূহ
আর্টিকেল
মায়া শপ

মায়া প্রশ্নের বিস্তারিত


টেনশন সৃষ্টির কারণগুলো দূর করা গেলে এ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। আসলে টেনশন কোনো দীর্ঘমেয়াদি ব্যাধি নয়। এটি হলো একটি সামগ্রিক মানসিক অবস্থা।টেনশন অতিরিক্ত হলে তা কাজের জন্য ক্ষতিকর, এতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে কাজের উৎকর্ষতার জন্য পরিমিত টেনশন প্রয়োজন। তাহলে সেই কাজের প্রতি ব্যক্তির মনোযোগ, চিন্তা থাকবে যা তার কাজকে সাফল্যমণ্ডিত করতে সহায়তা করবে। কাজেই পরিমিত টেনশনের ইতিবাচক দিক যেমন রয়েছে, তেমনি এর নেতিবাচক দিকও রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, পরীক্ষার আগে কোনো ছাত্র-ছাত্রীর এ সংক্রান্ত কোনো চিন্তা-ভাবনা যদি না থাকে তবে তার পড়ার ব্যাপারে তেমন আগ্রহ থাকবে না, যার ফলে তার পরীক্ষার রেজাল্ট আশানুরূপ না হওয়াই স্বাভাবিক। আবার কারো কোনো অসুখের উপসর্গ দেখা দিলে সে ব্যাপারে সচেতন না হয়ে যদি নির্লিপ্ত থাকে তবে তার রোগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকে।  টেনশন কমাতে নিচের বিষয়গুলো অনুসরণ করতে পারেন । সময়ের মূল্যায়নআজকাল মানুষ বিভিন্ন কাজ ও পেশায় ব্যস্ত। যার ফলে তাদের সময়ের চাকার সঙ্গে তাল মেলাতে বেশ কষ্ট ও অসুবিধা হয়। তাই সময়কে নির্দিষ্ট কাজের জন্য পরিকল্পনা অনুযায়ী ভাগ করে নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন করলে টেনশন অনেকাংশে লাঘব হয়ে যাবে। এ কথা মনে রাখতে হবে যে, সময়কে ভাগ করে সময়ের কাজ সময়ে শেষ করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।বাস্তববাদী হওয়াযে কোনো ঘটনা বা ভবিষ্যতে কী হতে পারে এ আশঙ্কায় অনেকে অযথা উৎকণ্ঠিত ও চিন্তিত হয়ে পড়েন। এ ক্ষেত্রে এ কথা মনে রাখতে হবে জীবন মানে কিছু সমস্যা থাকবে এবং এমন কিছু ঘটনা ঘটতে পারে যা জীবনে কাম্য নয়। তবে এও ঠিক, সবকিছুর সমাধান রয়েছে ও সময়ে সব ঠিক হয়ে যায়। কাজেই বাস্তব পরিস্থিতি মেনে নিয়ে তার সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলার মানসিকতা গ্রহণ করতে হবে। ফলে কিছুটা টেনশন কমে যাবে।মনের কথা খুলে বলামানুষ ব্যক্তিগত কিছু কথা তার বিশ্বাসভাজন ব্যক্তির কাছে প্রকাশ করে হালকা হতে বা প্রয়োজনবোধে তার সৎ পরামর্শ নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে তার কাজের জন্য উৎসাহ-উদ্দীপনা ও যৌক্তিকতা খুঁজে পাবে। ফলে তার দুশ্চিন্তার নিরসন হতে পারে।নিয়মানুবর্তিতা পালন করানিয়মমতো কাজ সম্পাদন করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। কেননা অনিয়ম, ত্রুটিপূর্ণ ও অগোছালো কাজ কখনো সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়ে ওঠে না এবং এর থেকেই উৎপত্তি হয় এ টেনশনের। কাজেই নার্ভাস না হয়ে নিয়ম-নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করলে আর টেনশন থাকে না।ক্ষমতা সম্পর্কে সজাগ থাকুনযে কোনো কাজ শুরুর আগে আপনার সেই বিষয়ে কতটুকু ক্ষমতা আছে সে সম্পর্কে ধারণা থাকা দরকার। অর্পিত দায়িত্ব আপনি সামলাতে পারবেন কি না তা ভেবে নিন। অনেক সময় আমরা না ভেবে যে কোনো কাজের দায়িত্ব নিই। পরে কাজ করতে গিয়ে বিপদে পড়ে যাই। আর তখনই শুরু হয় টেনশন। কাজটি ঠিক সময়ে শেষ হবে কি না এ ধরনের শঙ্কা এক ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি করে। তাই কাজ শুরুর আগে কাজের ধরন ও আপনার ক্ষমতা সম্পর্কে ভাবা দরকার।জীবনধারায় পরিবর্তন আনুনটেনশনে আক্রান্ত হলে আপনার জীবনধারায় পরিবর্তন আনুন। পোশাক-আশাক, লাইফ স্টাইলে বৈচিত্র্য আনুন। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় মেতে উঠুন। কোনো ছবি থাকলে টেনশনের সময় তাতে মনোযোগ দিন। ছবিটা যেহেতু একান্ত নিজের, তাই এতে আপনি নিজের ভালো লাগার এবং আপন জিনিসের মধ্যে ডুবে থেকে টেনশন থেকে মুক্তি পেতে পারেন।না বলতে শিখুনশুধু না বলতে না পারার কারণেই বহু অপরাধ, অন্যায়-আবদার, আদেশ থাকে যা মনে না চাইলেও গ্রহণ করতে বাধ্য হই। শুরু হয় টেনশন। তাই এ ধরনের কাজ থেকে রেহাই পেতে হলে না বলার চেষ্টা করুন। যুক্তি দিয়ে আপনার অপারগতা প্রকাশ করুন।পরিকল্পনা তৈরি করুনআপনার দৈনন্দিন কাজ-কর্মগুলো একটি নির্দিষ্ট ছকে ফেলুন, যাতে সেগুলো সহজে সম্পন্ন করা যায়। দৈনন্দিন কাজের পরিকল্পনার অভাবে প্রায়ই টেনশন তৈরি করে। কাজেই দৈনন্দিন কাজকর্মগুলোর একটি পরিকল্পনা তৈরি করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

পরিচয় গোপন রেখে ফ্রিতে শারীরিক, মানসিক এবং লাইফস্টাইল বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন Maya অ্যাপ থেকে। অ্যাপের ডাউনলোড লিঙ্কঃ http://bit.ly/38Mq0qn


প্রশ্ন করুন আপনিও