প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।সহবাসের রয়েছে শারীরিক ও মানসিক উভয় দিক।বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী সহবাস-সম্মতির বয়স ১৬ বছর কেননা এই বয়সের আগে একজন ছেলে ও মেয়ের শরীর সহবাসের ধকল নিতে পারেনা। যদি দুজনের কারও বয়স এর চেয়ে কম হয় তবে এটিকে ধর্ষন বলে গন্য করা হয় ।শারীরিকভাবে প্রস্তুত হবার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে সহবাসের মানসিক প্রস্তুতি। এটি একটি অনেক বড় পদক্ষেপ। সহবাস যে দুটি মানুষের মধ্যে হচ্ছে তাদের উভয়কেই একে অপরের সঙ্গে মিলিত হবার ইচ্ছা এবং সম্মতি থাকতে হবে।এটি কারও উপর চাপিয়ে দেয়া যাবেনা। আপনারা দুজনেই পরস্পরকে শ্রদ্ধা করে, আস্থা রাখেন, দুজনের সমান ঐচ্ছিক সম্মতি আছে, এখন আপনারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সহবাস করার।সহবাসের ফলে সবচেয়ে বড় যে ঝুকি সেটি হচ্ছে গর্ভধারনের ঝুকি। একটি কিশোরি বা যুবতী মেয়ে গর্ভবতী হলে তার শারীরিক ও মানসিক অনেক সমস্যার মধ্যে থাকে। মাতৃত্ব একটি কঠিন পরিশ্রমের বিষয় এবং অল্প বয়সে মা হয়ে অনেক মেয়ে গর্ভধারন ও প্রসব্জনিত জটিলতার কারনে প্রতি বছর মৃত্যুবরন করে। তাই আপনি আপনার সঙ্গীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুত হওয়ার জন্য কিছু সময় দিবেন কিনা ভেবে দেখতে পারেন।আর সেই সাথে বিবাহ বহির্ভূত শারীরিক সম্পর্কের ফলে যেহেতু গর্ভধারণের ঝুঁকি থাকে সে ক্ষেত্রে সামাজিক স্বীকৃতি বিষয়টি বিবেচনায় রাখা যায় কিনা ভেবে দেখতে পারেন। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও