প্রশ্ন সমূহ
আর্টিকেল
মায়া ফার্মেসী

প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। গ্রাহক, আপনার বয়স কত? কতদিন ধরে আপনার এই সমস্যা হচ্ছে? আপনার কি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে? গ্রাহক গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যা কমানোর জন্য শুধু ওষুধ যথেস্ট নয় , এর জন্য জীবন ধারার কিছু পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।  নিচে কিছু নিয়ম দিয়া হলো যা এই সমস্যা কমাতে সাহায্য করবে , যদিও সবার জন্য একই নিয়ম হয়ত কাজ করবে না।  তারপর চেস্টা করে দেখতে পারেন। # দৈনন্দিন কাজগুলো সময় মেনে করুন যেমন কাজের জন্য খাওয়া এবং ঘুমের সময় যেন প্রভাবিত না হয়। #অতিরিক্ত বেশি বা কম উভয় ওজনের মানুষের ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি হয়।  তাই উচ্চতা এবংবয়স অনুযায়ী যেন ওজন সাভাবিক সীমার মধ্যে থাকে #যেসকল খাবার গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যা বাড়িয়ে দেয় তা যতই পছন্দের হোক এড়িয়ে চলতে হবে - তেল মশলা  এবং চর্বি যুক্ত খাবার ,অতিরিক্ত চা,কফি,টক জাতীয় ফল ইত্যাদি #একসাথে অনেক খাবার না খেয়ে বার বার অল্প অল্প করে খান। #খাওয়ার ঠিক পরেই শুয়ে পরা ঠিক না। #সিগারেট এবং মদ্যপানের অভ্যাসথাকলে ত্যাগ করতে হবে।   # অনেকের কিছু খাবারে এসিডিটি বেশি হয় সেগুলো বাদ দিতে হবে।   #নিয়মিত খাওয়া কিছু ওষুধ যেমন প্রেসার ,পেইন কিলার,হাপানি কিছু এন্টি বায়োটিক, আইরন ট্যাবলেট ,এলার্জির ওষুধ খেলে এসিডিটি বেশি হয় , সেই রকম ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।   গ্রাহক, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে আপনার লাইফস্টাইল কিছু পরিবর্তন করুনঃ ১) মলত্যাগের বেগ হোক বা না হোক প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে টয়লেটে বসবেন, এতে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই ঐ সময়ে মলত্যাগের অভ্যাস গড়ে উঠবে। ২) দুশ্চিন্তামুক্ত থাকুন ৩) সহজপাচ্য ও সাধারণ খাদ্যে অভ্যস্ত হোন ৪) বেশি করে পানি পান করুন, প্রতিদিন কমপক্ষে দুই থেকে তিন লিটার। ৫) কিছু গ্রহণীয় খাবারঃ
শাকসবজি, ফলমূল, সালাদ, দধি, পনির, গাজর, মিষ্টি কুমড়া, লেবু ও এ জাতীয় টক ফল, পাকা পেপে, বেল, আপেল, কমলা, খেজুর, সব ধরণের ডাল, ডিম, মাছ, মুরগীর মাংস, ভূসিযুক্ত (ঢেঁকি ছাঁটা) চাল ও আটা ৬)) কিছু বর্জনীয় খাবারঃ
গরু, খাসি ও অন্যান্য চর্বিযুক্ত খাবার, মসৃণ চাল, ময়দা, চা, কফি, সব ধরণের ভাজা খাবার যেমনঃ পরোটা, লুচি, চিপস ইত্যাদি ৭) নিয়মিত হাঁটাহাঁটি ও ব্যায়াম করুন ৮) কোন রোগের জন্য হয়ে থাকলে তার জন্য চিকিৎসা নিন ৯) কোন ওষুধ সেবনের কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য হচ্ছে মনে হলে সে ব্যাপারে আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কোষ্ঠকাঠিন্যে যা করা উচিৎ নয়ঃ ১) পায়খানার বেগ ধরলেও নানা অজুহাতে দেরি করা ২) নিয়মিত পায়খানা নরম করার বিভিন্ন রকমের ওষুধ সেবন ও ব্যবহার করা আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।



প্রশ্ন করুন আপনিও