প্রিয় গ্রাহক,আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।গ্রাহক, আপনার বয়স কত ? আপনার কতদিন ধরে ঠাণ্ডা?কাশি আছে ? আপনার কি এলারজির সমস্যা আছে? জ্বর আছে ? জ্বর থাকলে তা কত পর্যন্ত ওঠে মেপে দেখেছেন ? বন্ধ নাকের জন্য নাকে গরম পানির ভাপ নিতে পারেন।নাক বন্ধ থাকলে ডাক্তারের পরামর্শে নাকের ড্রপ ব্যবহার করতে হবে এবং antihistamin মেডিসিন খেতে হবে।যদি জ্বর থাকে ,যদি ১০০ডিগ্রি ফারেনহাইট এর উপরে হয় ,তখন নাপা বা প্যারাসিটামল খেতে হবে ।এছাড়া,ঠান্ডা কিংবা সাধারণ সর্দি-কাশি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয় -*সর্দিতে বন্ধ নাকের জন্য ফুটন্ত গরম পানিতে কয়েক টুকরো মেন্হল ক্রিস্টাল দিয়ে তার ভাপ নিন ।দিনে এটা তিনবেলা তিনবার করুন ।সর্দি ভেতর থেকে নরম হয়ে বের হয়ে আসবে। বন্ধ নাক খুলে যাবে,মাথা ভার হয়ে থাকলে তাও সেরে যাবে।*খুব গরম বা প্রচন্ড ঠান্ডা বাতাস এড়িয়ে যাবেন , *ঠান্ডা খাবার ও পানীয় পরিহার করবেন*কুসুম কুসুম গরম পানি পান করা ভালো। *গার্গল বা কুলকুচি: এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে আধা চা-চামচ লবণ মিশিয়ে কুলকুচি করতে হবে। এক সপ্তাহ প্রতিদিন তিন বেলা করে কুলকুচি করবেন। এতে  কাশি ,সর্দি এবং গলাব্যথা সবই খুব দ্রুত কমে যাবে। এটি খুবই কার্যকর একটি পদ্ধতি।*মধু: এক কাপ লেবুমিশ্রিত চায়ের মধ্যে এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। মধু সর্দি-কাশি কমাতে সাহায্য করে এবং গলাব্যথা কমায়।*এ ছাড়া আদা চা, গরম পানি খাওয়া, গলায় ঠান্ডা না লাগানো নিয়মিত মেনে চললে সর্দি-কাশি দ্রুত ভালো হয়ে যায়।* ধুলাবালি, ধূমপান এড়িয়ে চলা। এর জন্য মাস্ক ব্যবহার করা।* ঘরের দরজা-জানালা সব সময় বন্ধ না রেখে মুক্ত ও নির্মল বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখা।* তাজা, পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা, যা দেহকে সতেজ রাখবে এবং রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করবে।* হাত ধোয়ার অভ্যাস করা। বিশেষ করে চোখ বা নাক মোছার পরপর হাত ধোয়া।* সাধারণভাবে রাস্তায় চলাচলের সময় মাস্ক পরা, আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরে থাকা এবং তার ব্যবহৃত জিনিসপত্র ব্যবহার না করাই ভালো।আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি।আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন,রয়েছে পাশে সবসময়,মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও