প্রিয় গ্রাহক আপনাকে ধন্যবাদ। আমি কি আপনাকে কিছু প্রশ্ন করতে পারি? ? আপনার ওজন কত?হাঁচি-কাশির সঙ্গে বেগ ছাড়াই মেয়েদের অনিয়ন্ত্রিত প্রস্রাব বেরিয়ে যাওয়ার সমস্যাকে চিকিৎসা পরিভাষায় ইউরিনারি স্ট্রেস ইনকন্টিনেন্স বলে। জীবনযাপনের মান ধীরে ধীরে নেমে আসতে থাকে।স্বাভাবিক অবস্থায় যত কাশি এবং যত জোরেই হাঁচি আসুক না কেন, প্রস্রাব কখনও বেরিয়ে আসবে না। সুস্থ মানুষ বেগ চাপলেও যথাযথ সুযোগ এবং স্থান না পেলে দীর্ঘসময় প্রস্রাব ধরে রাখতে পারে। যারা ইউরিনারি স্ট্রেস ইনকন্টিনেন্সে ভুগছেন তাদের হাঁচি, কাশি বা হাসির সঙ্গে প্রস্রাব বেরিয়ে যায়। এর ওপর নিজের কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকে না। প্রাথমিক অবস্থায় প্রচণ্ড হাঁচি বা প্রবল কাশির সঙ্গে হঠাৎ সামান্য প্রস্রাব বেরিয়ে আসতে পারে। বয়স এবং অসুখের তীব্রতা বৃদ্ধির সঙ্গে সামান্য হাঁচি, কাশি বা হাসিতেই প্রস্রাব বেরিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হলে শারীরিক অবস্থান পরিবর্তন যেমন- বসা থেকে দাঁড়াতে গেলে, কোনো ভারী জিনিস তুলতে গেলেই প্রস্রাব বেরিয়ে যেতে পারে। এ সমস্যা জীবন সংশয়ী নয়, স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।স্ট্রেস ইনকন্টিনেন্সের চিকিৎসায় যাওয়ার পূর্বে সমস্যায় কিছু বিষয়কে ঝুঁকি হিসেবে গণ্য করা হয়। স্থায়ী ঋতুস্রাব বা মেনোপজের ফলে অথবা অন্য কোনো কারণে শরীরে ইস্ট্রোজেন নামের হরমোন কমে যাওয়ার জন্য বা বিলম্বিত কষ্টকর প্রস্রাব এবং মূত্রনালীর স্বাভাবিক অবস্থান রক্ষাকারী পেশি দুর্বল হয়ে পড়ার কারণে এ সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। হঠাৎ হাঁচি, কাশি বা হাসি মূত্রাশয় ও মূত্রনালীর সংযোগস্থলের স্বাভাবিক অবস্থান থেকে নেমে আসে। এর ফলে বেগ ছাড়াই নিয়ন্ত্রণহীনভাবে কিছু প্রস্রাব বেরিয়ে যেতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি (ক্রনিক) কাশি বা হাঁপানি, কোষ্ঠকাঠিন্য, অতিরিক্ত শারীরিক ওজন, ধূমপান ইত্যাদি ইউরিনারি স্ট্রেস ইনকন্টিনেন্সের ঝুঁকি বাড়ায়। কিছু ওষুধ যেমন, কাশি বা অ্যালার্জির জন্য ব্যবহৃত ওষুধ, মানসিক রোগের ওষুধ, প্রস্রাব হওয়ার ওষুধ ইত্যাদির কারণেও স্ট্রেস ইনকন্টিনেন্স বেড়ে যেতে পারে।গবেষণায় দেখা গেছে, শতকরা পাঁচ ভাগ ওজন কমাতে পারলে স্ট্রেস ইনকন্টিনেন্সের ৫০ শতাংশ উন্নতি ঘটে। প্রস্রাবের পরিমাণ এবং আবহাওয়ার উষ্ণতার ওপর নির্ভর করে পরিমিত পানি পান (কখনোই অতিরিক্ত নয়), যেসব পানীয়তে প্রস্রাবের মাত্রা বেড়ে যায়, যেমন- চা, কফি, কিছু ফলের রস, বিভিন্ন কোমল পানীয় ইত্যাদি পান করা কমিয়ে দিতে হবে। এসব পরিবর্তনে প্রস্রাব লিকেজের মাত্রা কমে আসে।এসবেও সমস্যার উন্নতি না হলে রোগীকে ব্যায়াম শেখানো হয়, যেখানে রোগী তার মূত্রদ্বার, যোনিপথ এবং মলদ্বারের চারপাশের মাংসপেশিগুলো (পেরিনিয়াল মাংসপেশি) নিয়মিত বিরতিতে সংকোচন ও প্রসারণ করবে। এ ব্যায়ামের মাধ্যমে পেরিনিয়াল মাংসপেশিগুলোর কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে মূত্রাশয় এবং মূত্রনালীর সহায়ক মাংসপেশীকে শক্তিশালী করা হয়।যেসব রোগীর অনিয়ন্ত্রিত প্রস্রাব বের হওয়ার মাত্রা বেশি বা এর সঙ্গে অন্যান্য উপসর্গ থাকে, তাদের ইউরোডাইনামিক পরীক্ষার মাধ্যমে মূল্যায়ন করে সমস্যার তীব্রতা নির্ণয় করা হয়। এ ক্ষেত্রে শল্যচিকিৎসা প্রয়োজন।আপনাকে সাহায্য করতে পারলাম কি?ধন্যবাদ।আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি।আর কোন প্রশ্ন থাকলে জানাবেন।রয়েছি পাশে সবসময়, মায়া 

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও