প্রিয় গ্রাহক,আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।আপনার বাবা মা কি লম্বা ? আপনার লম্বা হওয়া নির্ভর করছে আপনার পরিবারের জিনের উপর I আপনার পরিবারের লোকেরা (বাবা,মা) যদি বেঁটে হন, তাহলে আপনার বেঁটে হওয়ার সম্ভবনা বেশি I মেয়েদের মাসিক হয়ে যাওয়ার পর থেকে তারা আর বেশি বাড়ে না I ( লম্বা হয় না).আপনি লম্বা হওয়ার জন্য কতগুলো জিনিস করতে পারেন I- ভারসাম্য বিশিষ্ট খাদ্য খেতে হবে- প্রচুর পরিমানে পানি পান করে উচিত- প্রতিদিন সাঁতার, দৌড়ানো এই ধরনের excercise করা উচিত- রাতে ৮ থেকে ৯ ঘন্টা ঘুমানো দরকার- সব সময় সোজা হয়ে বসবেন এবং সোজা হয়ে দাঁড়াবেন - নিজের উপর আত্মবিশ্বাস রাখবেন- ধুমপান করবেন না এবং যে ধুমপান করে তার থেকে দুরে থাকবেন, Caffeine জাতীয় পানীয় পান করবেন না Iগ্রাহক, আপনার বয়স কত?আপনার ওজন আর উচ্চতা কত? আমাদের জানাবেন।শরীরের লম্বার সঙ্গে ওজনের একটা অনুপাত থাকে,এই অনুপাতকে বডি মাস ইনডেক্স বলে BMI .যেমন ধরুন আপনার উচ্চতা আর আপনার ওজনে যদি আপনার BMI 18-24.9 হয় তালে এটা নরমাল। 18 এর কম হলে, আপনাকে ওজন বাড়াতে হবে।স্বাস্থ্যবান হওয়ার এবং ওজন বাড়ানোর কিছু পদ্ধতি ও উপায়: ১। চার ঘণ্টার বেশি না খেয়ে থাকবেন না:আপনার শরীর নিয়মিত খাবারের সাপ্লাই চায়। যা শরীরকে পর্যাপ্ত শক্তির যোগান দিবে। বেশি সময় খাবার না খেয়ে থাকলে শরীরে খাদ্য ঘাটতি দেখা দিতে পারে ফলে ওজন বাড়ার বদলে উল্টো কমে যেতে পারে । খালি পেটে তো কিছুতেই থাকবেন না বরং সময়মত বেশি করে খাবার খেয়ে শরীরে খাদ্য ঘাটতি পুষিয়ে ফেলুন।২। ক্যালরি যুক্ত খাবার বেশি করে খান:প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি যুক্ত খাবার গ্রহণ করুন। যেমন: বাদাম এবং শস্যদানা, বাদামের মাখন,, ডিম, সয়াবিন, কিসমিস, খেজুর, নারকেল দুধ, বাদামী চাল, ওটমিল, বাটার বা তাহিনি, দই, কলা, অলিভ অয়েল, আঙুরের জুস, আনারস, আপেল, কমলা। দুগ্ধজাত খাবার এবং উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার যথা মাছ, মাংস ইত্যাদি থাকতে হবে প্রতি বেলার খাদ্য তালিকায়।ড্রিংক হিসাবে কলা, খেজুর এর সাথে একটু মাখন, দুধ অথবা আম, পেস্তা বাদাম, স্ট্রবেরি, কমলা ইত্যাদি শ্রেষ্ঠ পুষ্টিকর উপাদান দিয়ে জুস তৈরি করে হাতের কাছে রাখুন। এগুলো আপনার শরীরের মাংস পেশীগুলোকে সুগঠিত করতে যথেষ্ট প্রোটিন সরবরাহ করবে।৩। ঘুমাবার ঠিক আগেই দুধ ও মধু খান:রাতের বেলা ঘুমাবার আগে অবশ্যই বেশ পুষ্টিকর কিছু খাবেন। ঘুমাবার আগে প্রতিদিন এক গ্লাস ঘন দুধের মাঝে বেশ অনেকটা মধু মিশিয়ে খেয়ে নিবেন।৪। নিয়মিত ব্যায়াম শুরু করুন:আমাদের সবার ধারণা ব্যায়াম শুধু ওজন কমানোর জন্যই কাজ করে। কিন্তু এটি ঠিক নয়। ব্যায়াম করলে শরীর একটিভ হয় এবং পুষ্টি উপাদানগুলো ঠিক মতো কাজে লাগে। ঠিক সময়ে ক্ষুধা লাগে, এবং তখন খাদ্য গ্রহণের রুচিও বৃদ্ধি পায়। প্রতিদিন হালকা কিছু ব্যায়ামই এর জন্য যথেষ্ট।৫। পর্যাপ্ত ঘুমান ও দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকুন:আপনার খাদ্যাভ্যাস আর শরীর চর্চার পাশাপাশি যেই জিনিসটা লাগবে তা হলো পর্যাপ্ত ঘুম এবং দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকা। দৈনিক ৮-৯ ঘণ্টা ঘুম এবং অন্যান্য বিষয়গুলো মেনে চললে আশা করা যায় আপনার ওজন বাড়ানোর লক্ষ্য পূরণ হবেই। ব্রেনের উপর কোনো চাপ নেবেন না।৬। প্রচুর শাক সবজি ও ফল খানঅনেক ফল আর সবজি আছে যারা কিনা উচ্চ ক্যালোরি যুক্ত। যেমন- আম, কাঁঠাল, লিচু, কলা, পাকা পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া, মিষ্টি আলু, কাঁচা কলা ইত্যাদি। ফল ও সবজি খেলে স্বাস্থ্য ভালো থাকবেওজন বাড়ানোর জন্য খাওয়া দাওয়ার বিশেষজ্ঞর পরামর্শ নিতে পারেন এবং তার কাছ থেকে আপনি খাদ্য তালিকা নিতে পারেন I ওজন ধীরে ধীরে বাড়ানো উচিত. এরপরও যদি ওজন না বাড়ে অথবা ওজন কমে যায় তাহলে ডাক্তার দেখানো উচিত Iআশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি।আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন,রয়েছে পাশে সবসময়,মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও