প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার স্বামী আপনার উপর অনেক অত্যাচার করেন। আমি বুঝতে পারছি যে আপনি কতটা কষ্টে আছেন।গ্রাহক তিনি কেন এরকম করছেন তা কি বলা যায়? আপনাদের বিয়ের কত বছর হয়েছে? আপনাদের কি কোন সন্তান আছে? আপনার পরিবারকে এই বিষয়ে অবগত?গ্রাহক আপনি একটু ভেবে দেখতে পারেন যে এ বৈবাহিক সম্পর্কটি থেকে আপনি কি পাচ্ছেন। আমরা প্রত্যেকেই একটি সম্পর্কে জড়িয়ে থাকি কোন না কোন কিছু পাওয়ার জন্যই। আপনি কি আপনার স্বামীকে ভালবাসেন? সম্পর্ক টিতে বোঝাপড়া, শ্রদ্ধাবোধ, ভালোবাসা, বিশ্বাস এ বিষয়গুলো কি আছে? এগুলো কিন্তু একটি সম্পর্কের অপরিহার্য উপাদান। উপাদানগুলো ছাড়া একটি সম্পর্কের কোন মূল্য থাকে না। আপনি একটু এই উপাদান গুলোর আলোকে আপনার সম্পর্কটা বিবেচনা করে দেখতে পারেন।গ্রাহক আমাদেরকে ভালো থাকতে হলে অবশ্যই খারাপ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করতে হয়।কিন্তু আমাদের পরিস্থিতি থেকে বের হয়ে আসার সর্বাত্মক চেষ্টা অবশ্যই করতে হয়।অনেক সময় আমরা সমাজের ভয়ে আরো বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে মুখ বুজে সব সহ্য করে থাকি। মুখ বুজে সহ্য করা তখনই যায় যখন আমরা দেখবো যে সহ্য করলেও আমার তেমন একটা ক্ষতি হচ্ছে না।কিন্তু যদি ক্ষতির পরিমাণটা অনেক বেশি হয় আর সহ্য করার ফলে লাভের পরিমাণ তা খুব কম হয় তখন আমাদের অবশ্যই অন্যথা চিন্তা করতে হয়।কিন্তু যদি কোনো কারণে সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব না হয় তখন সেই পরিস্থিতিতেই কিভাবে ভালো থাকা যায় সেই চেষ্টা করতে হয়। আপনি ভেবে দেখতে পারেন যে আপনি এই পরিস্থিতি টা থেকে কোন ভাবে বেরিয়ে আসতে পারবেন কিনা। এ বৈবাহিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ভেবে দেখতে পারেন।আপনার স্বামীর সাথে আপনি এই বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা করতে পারেন। প্রয়োজনে আপনি আইন সহায়তা নিতে পারেন। কিন্তু যদি মনে হয় যে তারপরও আপনাকে সম্পর্কেই থাকতে হবে তবে আপনি যে কষ্টগুলো পাচ্ছেন এই কষ্ট গুলোকে মন থেকে মেনে নেয়া যায় কিনা ভেবে দেখা যায় কি? মেনে নেয়া বলতে আমি এটা বলছি না যে আপনি মুখ বুঝে তার সব অত্যাচার সহ্য করবেন। বরং মেনে নেয়া বলতে আমি এটাই বুঝাচ্ছি যে আপনি আপনার কষ্ট টাকে নিজের করে নিবেন ও পরিস্থিতি মোকাবেলা করার চেষ্টা করবেন। নিজের মধ্যে একটি দৃঢ় মানসিকতা তৈরি করার চেষ্টা করতে পারেন যেন সে আপনার উপর মানসিক অত্যাচার করতে সাহস না পায়।আপনি সম্ভব হলে আইনি সহায়তা নেয়া যায় কিনা সেটাও ভেবে দেখতে পারেন। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও