প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।গ্রাহক আপনার স্বামী আপনার সাথে খারাপ আচরণ করেন।আপনার প্রশ্ন পরে বুঝতে পারছি যে আপনি নিজের অনুভূতির ব্যাপারে সচেতন যা আপনার একটি ইতিবাচক দিক। গ্রাহক বৈবাহিক সম্পর্কে দুজনের মধ্যে মনোমালিন্য হওয়া খুবই স্বাভাবিক।অনেক সময় এরকম সময় দেখা যায় যে একে অপরকে মনে কষ্ট দিয়ে অনেক কথাই বলা হয়ে থাকে যা হয়তো একজন মন থেকে বলছে না।আপনি একটু নিজের চিন্তা দিকে মনোযোগী হতে পারেন যে এই যে আপনার কষ্ট হচ্ছে তা আসলে কি কি ভেবে কষ্ট হচ্ছে।আসলে আমরা যখন কারও প্রতি অনেক বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ি বা অনেক বেশি ভালোবাসি তার দ্বারা কোন কষ্ট পেলেই আমাদের আসলে বেশি কষ্ট হয়। তাই নিজের ভালো থাকার জন্য কার ওপর নির্ভরশীল না হলে সেটাই বেশি ভালো হয়।কিন্তু আপনি যে এই কষ্টকর পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য পদক্ষেপ নিতে চাচ্ছেন ও আমাদের কাছে প্রশ্ন করেছেন এটা আপনার সচেতনতাই পরিচয় দেয়। যা আপনার খুবই একটি ইতিবাচক দিক। আমি বুঝতে পারছি যে আপনি নিজেকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। ভালো থাকার জন্য নিজেকে গুরুত্ব দেয়াটা খুবই প্রয়োজন। আর আপনি নিজেকে গুরুত্ব দিচ্ছেন বলেই আপনি কিভাবে ভালো থাকতে পারবেন সেটা জানান চেষ্টা করছেন।নিজের মতো করে ভালো থাকার জন্য আপনি নিজেকে ব্যস্ত রাখতে পারেন। যে সময় গুলো আপনি তার সাথে কথা বলার জন্য রাখেন কিন্তু বলতে পারেন না সেই সময় গুলোতে আপনি নিজের শখের কাজগুলো বা ভাললাগার কাজগুলো বেশি বেশি করতে পারেন। নিজেকে বিভিন্ন রকম সৃজনশীল কাজে নিয়োজিত রাখার চেষ্টা করতে পারেন। নতুন কিছু শিখতে পারেন। এটা একদিকে যেমন আপনার স্কিল বাড়াবে তেমনি আপনাকে নিজের প্রতি অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে।আপনি চাইলেই আপনার প্রতি অন্যদের খারাপ আচরণ কে পরিবর্তন করতে পারবেন না, এটা কখনই আপনার নিজের হাতে নেই। কিন্তু আপনি কিন্তু চাইলেই নিজের ভালো থাকাটা নিশ্চিত করতে পারবেন। এটা কিন্তু আপনার হাতেই আছে। কেউ খারাপ আচরণ করুক বা ভালো আচরণ করুক আপনি কি অনুভব করবেন তা কিন্তু আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। তাই নিজেকে ভালোবাসা টা খুব বেশি জরুরি। তাই যদি নিজেকে ভালোবাসেন তবে আপনি সহজেই অন্যের নেতিবাচক ব্যবহারকে অবজ্ঞা করে নিজের মতো করে ভালো থাকার চেষ্টা করতে পারবেন।আর সেই সাথে আপনি যদি আপনার মনের কষ্টের কথাগুলো চেপে না রেখে ইতিবাচকভাবে আপনার স্বামীর সাথে আলোচনা করেন তবেও সেটা আপনার মধ্যের খারাপ লাগা কমাতে ও বৈবাহিক সম্পর্ক সুন্দর করতে সহায়তা করবে। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও