গ্রাহক আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এর সাথে অন্যান্য শারীরিক সমস্যা আছে কি যেমন গলা ব্যাথা, বুকে ব্যাথা, শ্বাস কষ্ট, নাকে ঘ্রাণ নিতে সমস্যা, খাবারের স্বাদ পেতে সমস্যা ইত্যাদি? আপনি কি করোনা রোগীর সংস্পর্শে গিয়েছিলেন? পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হবে। আই ই ডি সি আর এর সাহায্য নিতে পারেন। প্রেগন্যান্সির সময় কোন ওষুধ ডাক্তার এর পরামর্শ বাদে খাবেন না। বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন। হাচি কাশির  শিষ্টাচার  মেনে  চলুন। হাচি কাশির  পর ব্যবহৃত  টিস্যু  ঢাকনা যুক্ত  ডাস্টবিন  এ  ফেলতে  হবে । অপরিষ্কার হাতে নাক,মুখ, চোখ স্পর্শ  করবেন  না । অসুস্থ  পশু পাখির সংস্পর্শে  যাবেন না। গলা ব্যাথা  হলে গরম  পানি  দিয়ে গারগেল করুন,আদা চা খেতে পারেন।তুলসিপাতা মধু মিশিয়ে  খেলে  আরাম  পাবেন । নাকে গরম  পানির  ভাপ  নিন।প্রচুর শাক সবজি, ফল মূল এবং  ভিটামিন সি জাতীয় খাবার বেশি খাবেন। পরীক্ষা  করে  নিশ্চিত  না হওয়া পর্যন্ত  সামাজিক  দুরত্ব  বজায়  রাখুন, পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের থেকে দুরে থাকুন, মাস্ক ব্যবহার  করুন, ঘন ঘন হাত পরিস্কার করুন।অন্তঃসত্ত্বা নারীদের করোনা ভাইরাস এ আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা  বেশি থাকে অন্যদের তুলনায়। কারণ  এসময় তাদের রোগ প্রতিরোধ  ক্ষমতা  কম থাকে। তাই এসময়  দরকার বাড়তি পুষ্টি এবং  বাড়তি যত্ন। তাহলে রোগ প্রতিরোধ  ক্ষমতা  বজায়  থাকবে এবং গর্ভস্থ  শিশুর  সঠিক  বিকাশ নিশ্চিত  হবে। খাদ্যতালিকায়  যা রাখবেনঃ ১.প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় তাজা ফলমুল এবং  শাক সবজি  থাকতে হবে। ২.দিনে অন্তত তিন ধরনের (তিন রঙের) সবজি এবং  আশ  জাতীয়  খাবার  খাওয়ার চেষ্টা করবেন। ৩.প্রতিদিন ফল খাওয়ার চেষ্টা করুন। এক্ষেত্রে  দেশি মৌসুমী ফল কে প্রাধান্য দিন। ৪.পূর্ণশস্য জাতীয় খাবার খাদ্য তালিকায়  রাখুন যেমন লাল চাল, লাল আটা, ওটস, ভুট্টা, পপকর্ন ইত্যাদি। ৫.খাদ্য তালিকায় পর্যাপ্ত প্রোটিন  থাকতে হবে। প্রতিদিন একটি ডিম, ২-৩ টুকরা মাছ, মুরগির মাংস খেতে হবে। ৬.উদ্ভিজ্জ প্রোটিন হিসেবে বিভিন্ন বীজ খেতে পারেন। এতে প্রোটিন এর পাশাপাশি বিভিন্ন খনিজ এর চাহিদা ও পূরণ হবে যেমন শীমের বীচি, কুমড়ার বীজ, কাঠালের বীচি, কয়েক ধরনের ডাল ইত্যাদি। ৭.প্রতিদিন ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি যুক্ত খাবার খেতে হবে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় দুধ,পনির, কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম, আখরোট, চীনাবাদাম ইত্যাদি  রাখুন। ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি রোগ প্রতিরোধ  এ সাহায্য  করে এবং শিশুর হাড় মজবুত করে।সকাল ১০ টা থেকে বেলা ২ টার মধ্যে অন্তত ১৫-২০ মিনিট রোদে থাকুন। এতে ভিটামিন  ডি এর বাড়তি চাহিদা  পূরণ হবে। ৮.প্রতিদিন আধা কাপ থেকে এক কাপ দই খাওয়া ভালো। এতে অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পাবে। ৯.প্রসেসড ফুড, রং ও ফ্লেভারিং এজেন্ট দেয়া খাবার এড়িয়ে  চলুন। ১০.সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন ঘরে বসে ব্যায়াম , যোগ ব্যায়াম, মেডিটেশন, করার চেষ্টা  করুন। এতে মন প্রফুল্ল  থাকবে এবং  রোগ প্রতিরোধ  ক্ষমতা  বৃদ্ধি পাবে। আশা করি আপনাকে  সাহায্য  করতে  পেরেছি। আর কোন  প্রশ্ন  থাকলে  জানাবেন ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও