গ্রাহক আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রথম কারণ হিসাবে প্রেগন্যান্সিকে ধরা হয়। তাই প্রেগন্যান্সির টেস্ট করিয়ে নিশ্চিত হতে হবে।অন্য কোন শারীরিক সমস্যা আছে?কি ধরনের জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করেন? অনিয়মিত পিরিয়ড বলতে ২১ দিনের আগে এবং ৩৬ দিনের পরের পিরিয়ডকে বুঝায়। প্রথম কয়েক বছর প্রাথমিক পর্যায়ে পিরিয়ড অনিয়মিত হতে পারে হরমোনাল ব্যালান্সের উঠানামার কারণে। অনেক কারণেই পিরিয়ড প্রভাবিত হতে পারে, জীবন - যাত্রার ধারা পাল্টানো যেমন-হঠাত ওজন অনেক কমে যাওয়া,অধিক ব্যায়াম ও অধিক দুঃশ্চিন্তা,থাইরয়েডের সমস্যা, contraceptive বন্ধ করা অথবা চিকিৎসা বা স্ত্রী-রোগ বিষয়ক অবস্হা। যা হোক আপনার যদি প্রায়ই ঘন ঘন অথবা অনেক সময়ের ব্যাবধানে পিরিয়ড হয় তাহলে কিছু মেডিকেল কনডিশনকে বাতিল করার জন্য একজন gynaecologist এর সাথে আলোচনা করা প্রয়োজন ।তাই প্রেগন্যান্সির টেস্ট নেগেটিভ আসলে অন্য কোন শারীরিক সমস্যা আছে কি না তা একজন গাইনী ডাক্তার দেখিয়ে পরিক্ষার দ্বারা নিশ্চিত হতে পারেন। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে জানাবেন।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও