আপনাকে ধন্যবাদ।  অনেক কারনে কানে চুলকানি হতে পারে, যেমন - কানে ওয়াক্স বা খোল হওয়া ,অতিরিক্ত সিবাম উৎপন্ন হওয়া, কানে অ্যালার্জি হওয়া বা কানের কোন অসুখ হলে হতে পারে।সাধারনত কানে ওয়াক্স বা খোল হওয়ার কারনে কান চুলকায়। যাদেরকানে খোল হওয়ার প্রবনতা রয়েছে তারা নিয়মিত কানে ৪/৫ ফোঁটাকরে অলিভ অয়েল দিতে পারেন। এতে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।এছাড়া কানের যে অসুখটির কারনে কান চুলকাতে পারে,তাহলো অটোমাইকোসিস।অটোমাইকোসিস বা কান চুলকানোর কারণ হচ্ছে-যে দেশের আবহাওয়া উষ্ণ ও আর্দ্র অর্থাৎ নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের মানুষ। যেমন বাংলাদেশ। যাদের দীর্ঘসময় ধরে অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হচ্ছে। যারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত অর্থাৎ রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে।কোন জীবাণু দায়ী-চুলকানি ছত্রাক জাতীয় জীবাণু বা উদ্ভিদ থেকে হয়, দেহের অন্যান্য কারণে এ জীবাণু দাদ সৃষ্টি করে। অ্যাসপারজিলাস নাইজার, ক্যানডিডা অ্যালবিকাস দিয়ে সাধারণত চুলকানি হয়।উপসর্গ-কানে অস্বস্তিকর সঙ্গে কান বন্ধ হয়ে আছে এমন উপলব্ধি হওয়া। কান থেকে ধূসর, সবুজ, হলুদ বা সাদা রঙের নিঃসরণ বেরিয়ে আসতে পারে ; জমা হতে পারে ভেজা খবরের কাগজের মতো ময়লা।চিকিৎসা-* কানের ময়লা একজন ইএনটি  বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দিয়ে পরিষ্কার করে ফেলতে হবে। কটন বাড ব্যবহার করা যাবে না। * চুলকানির জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে অ্যান্টি হিস্টামিন ওষুধখেতে হবে * কানে যদি ব্যথা থাকে তবে ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা যায়। সতর্কতার সঙ্গে চিকিৎসা না করলে কানের পর্দার অনাকাক্সিক্ষত ক্ষতি হতে পারে। রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও