প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের কিছু প্রশ্নের উত্তর দিবেন। এই জ্বর কখন বেশি উঠে , দিনে না রাতে? কত ডিগ্রী জ্বর থাকে? আপনার আশে-পাশে কেউ কি করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ? বা আপনি কি কোনভাবে করোনা আক্রান্ত কোন ব্যাক্তির সংস্পর্শে এসেছেন ?? আপনি যদি ইতিমধ্যে করোনা ভাইরাস সংক্রমিত কারো সংস্পর্শে এসে থাকেন,সেক্ষেত্রে আপনার হাচি,কাশি,জর ,ডায়রিয়া, নাকে গন্ধ না পেলে বা শাষকষ্ট হলে দ্রুত আই ই ডি সি আর হাসপাতালের এই ১৬২৬৩ বা ৩৩৩ নাম্বারে যোগাযোগ করবেন।বার বার গরম পানি খান , হাত বার বার পরিষ্কার করুন সাবান পানি দিয়ে । মাস্ক ব্যবহার করুন । যেহেতু এখন অনেকের করোনা হচ্ছে তাই গ্রাহক যদি জ্বর,সর্দি কাশি থাকে তাহলে অবশ্যই ঘরে থাকতে হবে এবং আলাদা একটি ঘরে থাকবেন।হাত ধুবেন সাবান দিয়ে ৪০ সেকেন্ড ধরে।সাথে অবশ্যই পরিবারের সদস্য দের থেকে দূরে থাকবেন।সামাজিক দূরত্ত বজায় রাখবেন।আপনার ব্যবহৃত সকল কাপড় ভালো ভাবে সাবান দিয়ে ধুবেন।তবে আলাদা একটি ঘরে থাকা খুবই জরুরি।আমরা কিছু পরামর্শ দিচ্ছি, এগুলো অনুসরণ করলে আপনি উপক্রিত হবেনঃ ১) জ্বর হলে প্রাথমিকভাবে স্পঞ্জিং করা উচিত। অনেক ক্ষেত্রেই পুরো শরীর নরম কাপড় বা তোয়ালে কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে একটানা কয়েকবার আলতো করে মুছে দিলে শরীরের তাপমাত্রা কমে যায় এবং খুব ভালো বোধ করে ।তাপমাত্রা বেশী হলে মাথায় পানি দিলে জ্বর কমবে এবং ভাল বোধ করবেন।জ্বর বেশি হলে ভরাপেটে প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য কোন ওষুধ খাবেন না।জ্বর ১০০ থেকে ১০২ ডিগ্রি ফারেনহাইট থাকলে একটি প্যারাসিটামল খেতে পারেন । ১০২ ডিগ্রির বেশি হলে প্যারাসিটামল সাপোজিটরি কিংবা ২ টা প্যারাসিটামল একসাথে খেতে পারেন । ২) বেশি করে পানি পান করবেন , ঠান্ডা কোন খাবার খাবেন না।তরল খাবার সাথে ভিটামিন সি যুক্ত খাবার যেমন কমলা,লেবু,আমলকি,জাম্বুরা,বড়ই,কাচা মরিচ,সবুজ শাক সবজি খান।পাশাপাসি অবশ্যই মাছ,মাংশ,ডিম,দুধ ,কলা,সবুজ শাক সবজি খাবেন,এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।গরম স্যুপ খেতে পারেন।বাইরে যাবেন না।৩) বেশি করে বিশ্রাম নিবেন, না হলে অনেক বেশি দুর্বল লাগবে।৪) এই সময় খাবারে অরুচি হয় তাই আপনি খাবারের সাথে লেবু খেতে পারেন। লেবুর রস মুখে রুচি আনতে সাহায্য করে, লেবুর শরবত-ও খাওয়া যেতে পারে। ফলের মধ্যে আনারস, পেয়ারা বা আমলকি জাতীয় খাবার খাওয়া যেতে পারে। তাজা, পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা, যা দেহকে সতেজ রাখবে এবং রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করবে। ঠাণ্ডা জাতীয় খাবার যেমন- আইসক্রিম, ফ্রিীহজের পানি, কোল্ড ড্রিঙ্কস একেবারেই পরিহার করতে হবে।গলা ব্যথা ও কাশির জন্য চিকিৎসাঃ ১. লবণ পানি দিয়ে গড়গড়া করাটা সবচেয়ে সাধারণ এবং একই সঙ্গে কার্যকর পদ্ধতি। দিনে অন্তত ৪ বার লবণ পানি দিয়ে গড়গড়া করা। গলার সাধারণ ব্যথা বা গলা ভাঙার জন্য ভালো একটি ওষুধ হলো গরম বাষ্প। ফুটন্ত পানির বাষ্প যদি দৈনিক অন্তত ১০ মিনিট মুখ ও গলা দিয়ে টানা হয়, তবে গলার উপকার হয়। ২. ভাঙা গলায় হালকা গরম লেবু পানি, আদা বেশ কার্যকর। শুকনো আদায় ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসকারী উপাদান রয়েছে, যা গলার বসে যাওয়া স্বরকে স্বাভাবিক করে তুলতে পারে। তবে এমন সব চিকিৎসাও অনেক সময় কাজে দেয় না। দিনের পর দিন ধরে গলার ব্যথা ও স্বর বসে থাকে। গলা দিয়ে কথা বের হতে চায় না। স্বর বদলে যায়। ফ্যাসফ্যাসে আওয়াজ হয়। সে ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এছাড়া কিছু নিয়ম মেনে চলুন :১।বাসায় নিজ ঘরে পরিবারের সদস্যদের সাথে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে অবস্থান করুন। কথা বলার প্রয়োজন হলে কমপক্ষে ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রেখে কথা বলুন। ২। মাস্ক পরিধান করুন ,মানুষের সাথে করমর্দন ,আলিঙ্গন , চুম্বন বন্ধ রাখুন৩। বারবার হাত মুখ ধৌত করা সাবান বা স্যানিটাইজার ব্যাবহার করে৪।হাত না ধুয়ে চোখ , মুখ , নাক স্পর্শ না করা৫। অসুস্থ পশুপাখির সংস্পর্শে না আসা৬। প্রচুর পানি পান করা এবং ভিটামিন সি যুক্ত ফলমূল , শাকসবজি , বেশি খাওয়া। জ্বর থাকলে ভিজা তোয়ালে দিয়ে শরীর মুছে নিতে হবে। কুসুম গরম পানি দিয়ে প্রতিদিন ৩-৪ বার গড়গড়া করবেন। ঠান্ডা খাবার ও পানীয় পরিহার করবেন। কুসুম গরম পানি, আদা চা, মধু পান করবেন। ৭।হাঁচি কাশি দেয়ার পরে , রোগীর সেবা দেয়ার পরে , মলত্যাগের পরে , খাবার খাওয়ার আগে এবং রান্নার আগে হাত ধুয়ে নেয়া। হাঁচি কাশি দিতে টিস্যু ব্যবহার করুন। ব্যবহৃত টিস্যু এয়ার টাইট বাস্কেটে ফেলুন। ৮। ঘরবাড়ি জীবাণুনাশক দিয়ে পরিস্কার করবেন। খেয়াল রাখুন শ্বাসকস্ট হয় কিনা।এবং জ্বর এর জন্য শারিরিক ভাবে অসুস্থ বোধ করলে অবশ্যই আপনার নিকটস্থ সরকারি হাসপাতাল বা সরকারের হটলাইন নাম্বার ৩৩৩ বা ১৬২৬৩ তে যোগাযোগ করবেন।সরাসরি ডাক্তারের সাথে ফোনে কথা বলে ঔষধ সংক্রান্ত পরামর্শ পেতে মায়ার বিভিন্ন প্রেসক্রিপশন প্যাকেজ হতে আপনার জন্য উপযুক্ত প্যাকেজটি সাবস্ক্রাইব করে প্রশ্ন করতে পারেন। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও