প্রিয় গ্রাহক আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।আপনার কি সাথে জ্বর আছে?জ্বর আসলে তাপমাত্রা কত থাকে?গলার দুপাশে কি ফুলে গেছে? শ্বাসকষ্ট হয়? খাবারের স্বাদ বুঝতে পারেন? সাথে কি পাতলা পায়খানা আছে? আপনার পরিবারে অন্য কারো এরকম উপসর্গ আছে কিনা জানাবেন। সাধারণ ভাইরাল ফ্লু থেকেও এমন হতে পারে।দুশ্চিন্তা করবে না।আপাতত আপনি কিছু নিয়ম মেনে চলুন - গার্গল বা কুলকুচি: এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে আধা চা-চামচ লবণ মিশিয়ে কুলকুচি করতে হবে। এক সপ্তাহ প্রতিদিন তিন বেলা করে কুলকুচি করবেন। এতে কফ, কাশি এবং গলাব্যথা সবই খুব দ্রুত কমে যাবে। এটি খুবই কার্যকর একটি পদ্ধতি। মধু: এক কাপ লেবুমিশ্রিত চায়ের মধ্যে এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। মধু কাশি কমাতে সাহায্য করে এবং গলাব্যথা কমায়। এ ছাড়া আদা চা, গরম পানি খাওয়া, গলায় ঠান্ডা না লাগানো নিয়মিত মেনে চললে কাশি দ্রুত ভালো হয়ে যায়। এরপরও কাশি ভালো না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কাশি প্রতিরোধে - * ঠান্ডা খাবার ও পানীয় পরিহার করা * কুসুম কুসুম গরম পানি পান করা ভালো। হালকা গরম পানিতে লবন দিয়ে গড়গড়া করা উচিত। এতেও না কমলে আপনার কফ পরীক্ষা করতে হতে পারে। ভিটামিন সি যুক্ত খাবার বেশি বেশি করে খাবেন যেমন: লেবুু আমরা কমলা মাল্টা আমলকী। এছাড়া সিভিট ট্যাবলেট টিও চুষে খেতে পারেন। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করবেন। প্রোটিনযুক্ত খাবার যেমন ডিম দুধ মাছ মাংস সহ পুষ্টিকর খাবার বেশি বেশি গ্রহণ করুন। এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।এছাড়া জ্বরের জন্য আপনি ঘনঘন শরীর মুছতে পারেন। জ্বর এবং শরীর ব্যথা বেশি হলে বয়স অনুযায়ীী নির্দিষ্ট  ডোজে  ওষুধটি খেতে পারেন। ঠান্ডা এবং সর্দির জন্য এন্টিহিস্টামিন ট্যাবলেট টি খেতে পারেন।এছাড়া আপনি যদি ইতিমধ্যে করোনা ভাইরাস সংক্রমিত কারো সংস্পর্শে বা বিদেশ ফেরত কোয়ারেন্টাইনে থাকা কারো সংস্পর্শে এসে থাকেন, কিংবাা নিজে করোনা পজিটিভ হয়ে থাকলে,সেক্ষেত্রে আপনার হাচি,কাশি,জর বা শাষকষ্ট হলে দ্রুত আই ই ডি সি আর হাসপাতালের এই ১৬২৬৩ বা ৩৩৩ নাম্বারে যোগাযোগ করবেন।আপনার জন্য কিছু নিয়মাবলি ঃ ১। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া জনসমাগম পরিহার করা, বাহিরে বের হলে গনপরিবহন এড়িয়ে চলা। ২। বাহিরে বের হলে মাস্ক পরিধান করা ,মানুষের সাথে করমর্দন ,আলিঙ্গন , চুম্বন বন্ধ রাখুন।আপনার যেহেতু কাশি হচ্ছে আপনি সব সময় মাস্ক ব্যবহার করবেন কাশি ভালো না হওয়া পর্যন্ত। ৩।বারবার সাবান বা স্যানিটাইজার ব্যবহার করে হাত মুখ ধৌত করা । অথবা এলকোহল বেসড স্যানিটাইজার সাথে রাখুন। ৪। হাত না ধুয়ে চোখ,মুখ,নাক স্পর্শ না করা। ৫। অসুস্থ পশুপাখির সংস্পর্শে না আসা। ৬। প্রচুর পানি পান করা এবং ভিটামিন সি যুক্ত ফলমূল , শাকসবজি , বেশি খাওয়া, মাছ মাংস ভালোভাবে সিদ্ধ করে রান্না করতে হবে। ৭।হাঁচি কাশি দেয়ার পরে,মলত্যাগের পরে,খাবার খাওয়ার আগে এবং রান্নার আগে ভালো করে সাবান দিয়ে ২০ সেকেন্ড ঘষে তারপর হাত ধুয়ে নেয়া।ধন্যবাদমায়া

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও