গ্রাহক , আপনার বয়স কত ? কতদিন ধরে আপনার এই সমস্যা হয়েছে ? আপনার কানে অন্যকোন সমস্যা আছে ?  আমাদের জানান। গ্রাহক,  বহিঃকর্ণ, মধ্যকর্ণ ও অন্তকর্ণ- এ তিনটি অংশে কানকে ভাগ করা হয়। এগুলোর যেকোন রোগের কারনে আপনি কানে কম শুনতে পারেন।বহিঃকর্ণ ও মধ্যকর্ণের যেকোন রোগ নিরাময়যোগ্য। এগুলো চিকিৎসার মাধ্যমে ভালো হয়ে যায়। কিন্তু অন্তকর্ণের রোগগুলো নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়। তবে সময় মতো সেগুলো নির্ণয় করা হলে তাও নিরাময়যোগ্য। প্রথমে বাইরের অংশ থেকে যদি আসি, কানের ভেতর ময়লা তৈরি হয়। একে খৈল বলা হয়। এ খৈল একটি স্বাভাবিক জিনিস। এটি যদি পরিমাণে খুব বেশি হয়ে যায়, তাহলে কান বন্ধ হয়ে যেতে পারে, এবং শুনতে সমস্যা হতে পারে। কানের ভেতর যদি বাইরে থেকে কিছু প্রবেশ করে তাহলেও কান বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এর পর কানের ভেতরের চামড়ায় যদি কোনো প্রদাহ হয় তাহলেও কান বন্ধ হয়ে যেতে পারে। মধ্যকর্ণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ পর্দা। এটি দিয়ে মানুষ শব্দ শুনতে পায়। এ পর্দায় যদি কোনো প্রদাহ বা ক্ষতি হয় কিংবা কোনো ছিদ্র থাকে সেগুলোকে ওটাইটিস মিডিয়া বলা হয়। এসব ক্ষেত্রে অনেক সময় ব্যথা হয়, আবার অনেক সময় ব্যথা হয় না। শুধু কান থেকে পানি পড়ে।সেক্ষেত্রে ও আপনার শুনতে সমস্যা হতে পারে। এ কারণগুলো প্রধানত বহিঃকর্ণ ও মধ্যকর্ণের ভেতরের কারণ। অন্তকর্ণের সমস্যাগুলোর মধ্যে প্রধান হচ্ছে জন্মগত বধিরতা। মাঝামাঝি বিভিন্ন রোগের কারণে কোনো প্রদাহ যদি হয়, তাহলেও এই সমস্যা হতে পারে। আবার ভেতরে যদি কোনো টিউমার হয় বা মিনিয়াস, মেনিনজাইটিসের কারণে অথবা অন্তকর্ণের ক্ষতির কারণে বধিরতা হতে পারে। তাই কানে যে কোনো সমস্যা দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপম্ন হোন, চিকিৎসা নিন।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও