গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।  আপনার বয়স কত ? কতদিন ধরে আপনার এই সমস্যা হয়েছে ? আপনার কি এলার্জির সমস্যা আছে ? আপনার অন্যকোন শারীরিক অসুস্থতা আছে ? আমাদের জানান।  গ্রাহক, আপনি সম্ভবত এলার্জিজনিত ঠান্ডাতে ভুগছেন। এ রোগের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এলার্জির ওষুধ বা এন্টিহিস্টামিন, নাকের ড্রপ এবং ব্যথানাশক ওষুধ ব্যবহার করা হয়। এছাড়া, এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে  আপনি কিছু জিনিস করুন :- #  গার্গল বা কুলকুচি: এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে আধা চা-চামচ লবণ মিশিয়ে কুলকুচি করতে হবে। এক সপ্তাহ প্রতিদিন তিন বেলা করে কুলকুচি করবেন। এতে কফ, কাশি এবং গলাব্যথা সবই খুব দ্রুত কমে যাবে। এটি খুবই কার্যকর একটি পদ্ধতি। # মধু: এক কাপ লেবুমিশ্রিত চায়ের মধ্যে এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। মধু কাশি কমাতে সাহায্য করে এবংঠান্ডা ,  গলাব্যথা কমায়।  # নিয়মিত লেবু খান। লেবুতে আছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি ৷ যা ঠান্ডা লাগা প্রতিরোধ করে। #এ ছাড়া আদা চা, গরম পানি খাওয়া, গলায় ঠান্ডা না লাগানো নিয়মিত মেনে চললে ঠান্ডা দ্রুত ভালো হয়ে যায়। এরপরও   ভালো না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।     #    ঠান্ডায় নাক বন্ধ হয়ে গেলে ফুটন্ত গরম পানিতে মেনথল মিশিয়ে সেই ভ্যাপার নাক-মুখ দিয়ে টানলে বন্ধ নাক দ্রুতই খুলে যাবে lতাতে মাথাব্যথা এবং মাথা ভার লাগা কমবে। এই ফুটন্ত পানির ভাপ নিঃশ্বাসের সঙ্গে টেনে নিলে নাক বন্ধ হয়ে যাওয়ার সমস্যার সাথে সাইনাস বা মাইগ্রেনের সমস্যা থেকেও খানিক মুক্তি দিবে। সর্দি হলে অনেকে নাক পরিষ্কারের জন্য নাক ঝেড়ে থাকেন। তবে বেশি জোরে নাক ঝারলে শ্লেষ্মা কানের গ্রন্থিতেও ছড়িয়ে যেতে পারে বা কানের ভিতরে আঘাত লাগতে পারে। তাই মনে রাখবেন নাক পরিষ্কার করতে বেশি জোরে নাক ঝারা উচিত নয় l . #  রাতে শোবার আগে সরষের তেল বা ঘি হালকা গরম করে শুঁকলে সর্দি-ঠান্ডা দূর হয় এবং প্রতিরোধ করে। #. রাতে খাবার সঙ্গে রসুন খেলেও সর্দি-ঠান্ডা দুর হয়।   # ধুলো ,সিগারেট-মশার কয়েলের ধোয়া এড়িয়ে যাবেন,  # খুব গরম বা প্রচন্ড ঠান্ডা বাতাস এড়িয়ে যাবেন ,   # ঠান্ডা খাবার ও পানীয় পরিহার করবেন  # কুসুম কুসুম গরম পানি পান করা ভালো।  #  ধুলাবালি, ধূমপান এড়িয়ে চলা। এর জন্য মাস্ক ব্যবহার করা।  #  ঘরের দরজা-জানালা সব সময় বন্ধ না রেখে মুক্ত ও নির্মল বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখা।  #  তাজা, পুষ্টিকর এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা, যা দেহকে সতেজ রাখবে এবং রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করবে।  # হাত ধোয়ার অভ্যাস করা। বিশেষ করে চোখ বা নাক মোছার পরপর হাত ধোয়া।  # সুতি পোশাক পড়বেন ,  #  ছাতা এবং হাতপাখা সব সময় সাথে রাখবেন এবং ব্যবহার করবেন ,  #  নাক কচলানো এবং নাক খোটা একদম নিষেধ ,  # সম্ভব হলে শরীর এর তাপমাত্রা র পানি দিয়ে নিয়মিত গোসল করে চুল শুকিয়ে তারপর বাধবেন।  # মাথায় তেল মেখে রাখা ও ঠিক না।  আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও