প্রিয় গ্রাহক,আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।গ্রাহক, আপনার শিশুকে ঘরের খাবারের পাশাপাশি দিনে অন্তত দুবার দুধ খাওয়াতে হবে । আপনি দুইবছর বয়সের পর থেকে সীমিত পরিমানে গরুর দুধ খাওয়াতে পারেন ।এছাড়া বাজারে বাচ্চাদের উপযুক্ত বিভিন্ন কোম্পানীর গুড়ো দুধ পাওয়া যায়, ভাল ব্র্যান্ডের সেইদুধও কাওয়াতে পারেন । এছাড়া বাচ্চার স্বাস্হ্য উন্নত করতে তাকে নীচের খাবারগুলো দেবেন :-১.আলু সিদ্ধ ও ডাল চটকিয়ে২. ডালে বা দুধে ভেজানো রুটি৩. ফলের রস ও চটকানো ফল (দেশীয় ফল যেমন কলা, পেঁপে, কাঁঠাল, পেয়ারা, আম, আনারস ইত্যাদি)৪. দুধের পায়েস বা দুধ দিয়ে রান্নাকরা সুজি৫. নরম সিদ্ধ ডিম৬ ভাত, মুড়ি, চিড়া, দুধ দিয়ে নরম করে মেখে৭. শাক-সব্জি, চাল, ডাল ও তেল দিয়ে নরম খিচুড়ি রান্না করে৮. টমেটো, মটরশুটি, ফুলকপি, সীম ও অন্যান্য শাকসব্জি ভাল করে সিদ্ধ করে চটকিয়ে৯. পরিমাণে স্বাভাবিক খাবার। কিন্তু তাতে ঝালও মসলা কম হতে হবে১০. এ সমস্ত খাবারের সাথে রান্না করা মাছও চটকিয়ে দেয়া যায়১১. খাবারের সাথে আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করতে হবেশিশুকে নতুন খাবার দিতে হলে কতগুলো বিশেষ দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে, যেমনঃশিশুর শারীরিক অবস্থা, বয়স, ওজন ইত্যাদি। শিশুটির বয়সানুসারে শক্তি, আমিষ ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের প্রয়োজন নির্ধারন করতে হবে। খাবারগুলো এমনভাবে নির্বাচন করতে হবে যেন তা সহজপাচ্য, পুষ্টিমান ও সহজলভ্য হয়।শিশুকে সাধারণতঃ বাবা মায়ের সংগে বসিয়ে খাওয়াতে হবে, ফলে সে খাবারে উৎসাহ পাবে। শিশুকে কোন খাবারের জন্য জবরদস্তি করা যাবে না। শিশু ক্ষুধার্ত হলে আপনা  আপনি খাবে।শিশু নুতন খাবার কতটা হজম করতে পারলো তা বোঝা যাবে তার মল দেখে ও ওজন বৃদ্ধির রেকর্ড থেকে (শিশুর ক্রমবৃদ্ধির চার্ট বা কার্ড এর মাধ্যমে)। শিশুর খাবার বিশুদ্ধও নিরাপদ হতে হবে। একই ধরনের খাবার প্রতিদিন না দেয়া ভাল। শিশুর খাবার পরিমাণে অল্প তবে প্রয়োজনীয় ক্যালরী সমৃদ্ধ হতে হবে।আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি।আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন,রয়েছে পাশে সবসময়,মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও