না গ্রাহক সমস্যা হবে না তবে জেনে রাখা ভাল জন্ম বিরতিকরন হিসেবে স্বামী কনডম ব্যবহার করতে পারে। তাছাড়া, স্ত্রী জন্ম নিরোধক ওষুধ সেবন করতে পারে, যা গর্ভধারনকে রক্ষা করে। এটাকে জন্ম নিয়ন্ত্রণ বলে সম্বোধন করা হয়। একধরনের জন্ম নিরোধক হোল জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি যা সেবন করা হয়।আরও আছে, ইমারজেন্সি পিল একটি হরমনাল জন্মনিয়ন্ত্রক পদ্ধতি। এই পিল দুইধরনের হয়ে থাকে , তবে প্রত্যেকটি অনিরাপদ সহবাসের পর বাচ্চা নিতে না চাইলে যত দ্রুত সম্ভব গ্রহন করা উচিত। দুইধরনের পিলের মধ্যে প্রথমটি অনিরাপদ সহবাসের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে খেতে হয়। তবে অধিক কার্যকারিতার জন্য ১২ ঘণ্টার মধ্যে খাওয়া উচিত। আরেক টি পিল খাওয়া হয় অনিরাপদ সহবাসের ৫ দিনের মধ্যে।এই ইমারজেন্সি পিল সহবাসের সময় কনডম ছিঁড়ে গেলেও ব্যবহার করা যায়।এই পিল সাধারনত সফল ভাবে গর্ভ নিরোধ করে , তবে মাসিকে অন্য ওষুধের মত এই পিলের কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে যেমন অনিয়মিত মাসিক। সেইসাথে কারো ক্ষেত্রে বমিভাব এবং মাথা ব্যথা দেখা যায়। তবে দুঃখিত আমরা কোন ব্রান্ড এর নাম উল্লেখ করতে পারছি না। এর জন্য ডাক্তার এর পরামর্শ নিতে হবে।জেনে রাখা ভাল যে, স্বাভাবিকভাবে রয়েছে Safe Period, যা হল মাসিকে চক্রের এমন একটি সময় যখন কোন জন্মনিয়ন্ত্রণ পব্দতি ছাড়া সহবাস করলে গর্ভবতী হওয়া শম্ভবনা কম। যেসব মহিলাদের মাসিক চক্র ২৬ - ৩২ দিন চক্র তাঁদের মাসিকের ১ম দিন থেকে ৭ম দিন তারপর ২১ দিন থেকে পরবর্তী মাসিকের ১ম দিন পর্যন্ত, এটা বলে হয় সেফ পিরিয়ড। কিন্তু তারপরও এই সময়ে গর্ভবতী হওয়ার রিস্ক আছে, তাই কনডম ব্যাবহার করা প্রয়োজন।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও