প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। তবে কানের পরীক্ষা না করে এটা নিশ্চিত বলা যাবে না আপনার কানের পর্দা ছিঁড়েছে কিনা। আপনার কি নিম্নে বর্নিত লক্ষনগুলো আছে?      প্রথমে তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়, যা পরবর্তী সময়ে কমে আসে* কান দিয়ে রক্ত পড়া। বিশেষ করে আঘাতজনিত কারণে কানের পর্দা ফেটে গেলে কান দিয়ে রক্ত পড়তে পারে* মাথা ঘোরানো বা ভার্টিগো* কানে শোঁ শোঁ বা ভোঁ ভোঁ শব্দ (টিনিটাস) হওয়া।অটোস্কোপের মাধ্যমে খালি চোখেই ডাক্তার বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কানের পর্দা ফেটে গেছে কি না তা নির্ণয় করতে পারেন। এ ছাড়া কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষারও প্রয়োজন হতে পারে।কানের পর্দা ফেটে গেলে অবশ্যই একজন নাক-কান-গলা রোগ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরামর্শ নেওয়া উচিত। আপনি  নিচের পরামর্শগুলো মেনে চলুন: * কানে কোনোভাবেই যেন পানি প্রবেশ না করে এ জন্য গোসলের সময় কানে তুলা বা ইয়ার প্লাগ ব্যবহার করা* সাঁতার না কাটা* উড়োজাহাজে ভ্রমণ এড়িয়ে চলা* উচ্চ শব্দে গান না শোনা, হেড ফোন ব্যবহার না করা* কানে যাতে কোনো ইনফেকশন না হয়, এ জন্য কানো কোনো অসুবিধা হওয়ামাত্র ডাক্তার দেখিয়ে উপযুক্ত অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করা* কান না খোঁচানো* নিজে নিজে কোনো ওষুধ দেওয়া থেকে বিরত থাকা* কানে কোনো কিছু গেলে বা আটকে থাকলে নিজে তা বের করার চেষ্টা না করা।কানের পর্দার ছিদ্র যদি ছোট হয় বা অল্প একটু ফেটে যায়, তাহলে কয়েক সপ্তাহ পর আপনা আপনি তা ঠিক হয়ে যায়। অনেক সময় কানে ইনফেকশন সন্দেহ করা হলে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করতে হয়, কানে অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ দিতে হয়।যদি তিন মাসের মধ্যেও ক্ষতিগ্রস্ত পর্দা ঠিক না হয়, সে ক্ষেত্রে প্রয়োজনে অপারেশনের মাধ্যমে কানের পর্দা ঠিক করা যায়।এ ধরনের অপারেশনের মধ্যে আছে মাইরিংগোপ্লাস্টি। কানের পর্দা জোড়া লাগানোর আধুনিক মাইক্রোস্কোপিক অপারেশন আছে।  জটিলতাযথাসময়ে কানের পর্দা ফেটে যাওয়ার চিকিৎসা না হলে শ্রবণশক্তি হ্রাস পেতে পারে। এ ছাড়া মধ্যকর্ণে ঘন ঘন ইনফেকশন হয়ে স্থায়ীভাবে শ্রবণশক্তি বিলোপ হতে পারে। এ ছাড়া মধ্যকর্ণে সিস্ট (কোলেস্টিটোমা) হতে পারে।আশাকরি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। ধন্যবাদ।        

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও