সম্মানিত গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। বাবা-মা বা পরিবারের অন্যরা উত্তেজিত হয়ে এমন ধরনের কথা অনেক সময় বলে থাকেন। বিষয়টি নিইয়ে চিন্তিত না হয়ে তারা কি কারনে এতি বলেছে তা বোঝার চেষ্টা করুন। পাশাপাশি ঝগড়ার বিষয়টি কি আপনাদের নিয়মিতই ঘটে থাকে? আপনার মনটা এখন কেমন আছে?এমন ঘটনা সাধারণত আমাদের মনটা খারাপ করে দেয়। সাধারণত মন খারাপ থাকলে আমরা সব ধরনের কাজের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলি এবং নিজেকে আশেপাশের মানুষ এবং কাজ থেকে গুটিয়ে নেই। গ্রাহক, আপনার ক্ষেত্রেও কি এমন কিছু ঘটছে? যদি আপনি নিজেকে সবকিছু থেকে দূরে সরিয়ে রাখেন তা আপনার মন খারাপের স্থায়িত্ব বাড়ানোর পক্ষেই কাজ করবে। সেক্ষেত্রে আপনি আপনার ফেলে রাখা কাজগুলোকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে অল্প অল্প করে করতে পারেন। যেহেতু আপনার অধিকাংশ সময় মন খারাপ থাকছে, আপনি আপনার পছন্দের কাজ অর্থাৎ যে কাজগুলো আপনাকে আনন্দ দেয় তার একটা তালিকা তৈরি করতে পারেন। এবং আপনার দৈনন্দিন জীবনে পছন্দের কাজ গুলোকে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। এই কাজগুলো যেহেতু আপনার পছন্দের সুতরাং তা আপনার মন ভাল রাখতে কার্যকর হতে পারে। পছন্দের কাজের মধ্যে যে কোন কিছুই থাকতে পারে যেমনঃ বই পড়া, গান শোনা, কোথাও ঘুরতে বের হওয়া, কাছের মানুষদের সাথে আড্ডা দেয়া ইত্যাদি। আনন্দের কাজগুলোর পাশাপাশি আপনি নিজের দক্ষতা বৃদ্ধির চেষ্টাও করতে পারেন। যে সব বিষয়ে আপনি আপনার দক্ষতা বৃদ্ধি করতে ইচ্ছুক সে বিষয়গুলোতে দক্ষতা অর্জন করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে আপনি যদি ধীরে ধীরে আপনার দক্ষতা বৃদ্ধি করতে সক্ষম হন তা আপনার মধ্যে একটা ভাল লাগার অনুভূতি তৈরি করতে পারে।  মন খারাপ চলমান রাখার জন্য কাজ থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেয়ার পাশাপাশি। আমাদের অভ্যন্তরীন কিছু নেতিবাচক চিন্তাও কাজ করে। সাধারনত যখন আমাদের মন খারাপ তখন আমাদের মাথায় অনেক নেতিবাচক চিন্তা আসে যেমনঃ আমার কেও নাই, আমাকে কেও পছন্দ করে না, আমাকে কেও ভালবাসে না, আমি জীবনে কিছু করতে পারি নি ইত্যাদি। আপনার মাথায় আসা এমন নেতিবাচক চিন্তাগুলোকে শনাক্ত করুন। শনাক্ত করার পদ্ধতি হিসেবে ডায়েরীতে লিখতে পারেন। পরবর্তীতে এই চিন্তাগুলো কতটুকু যৌক্তিক ভেবে দেখতে পারেন। নেতিবাচক চিন্তার পরিবর্তে পজিটিভ চিন্তা করতে পারলে আপনার মনটা ভাল থাকবে বলে মনে করছি। যদি এমন কেও থাকে যে আপনার মনের কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনবে এবং গোপনীয়তা বজায় রাখবে তার সাথে শেয়ার করতে পারেন।আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে সক্ষম হয়েছি। আপনার আর কোন প্রশ্ন থাকলে মায়াকে জিজ্ঞাস করতে পারেন। মায়া আপনার পাশে সব সময় আছে।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও