প্রিয় গ্রাহক,আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।অনেক কারণেই মাথার ত্বকে চুলকানি বা অস্বস্তি হতে পারে। চুল এবং মাথার তালুর উপর নির্ভর করে বিভিন্ন কারণে মাথায় চুলকানি হয়। খুশকি, শুষ্ক মাথার ত্বক, ফাংগাস, ব্যাক্টেরিয়া ইত্যাদি কারণে মাথায় সমস্যা হতে পারে।সাধারণত সঠিকভাবে চুলের যত্ন না নেওয়া বা পুষ্টিকর খাবার না খেলে, এমনকি দুশ্চিন্তার কারণেও মাথার ত্বকে সমস্যা ও চুলকানি হতে পারে। আর এই সমস্যা থেকে বাঁচার জন্য কিছু ঘরোয়া উপাদান ব্যবহার করে উপকৃত হতে পারেন :-- বেকিং সোডা : পানির সঙ্গে বেকিং সোডা মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে মাথার ত্বকে সরাসরি লাগাতে হবে। ভালো ফলাফল পেতে এর উপর অলিভ অয়েল লাগিয়ে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করুন। ১০ থেকে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।- কলা :মাথার ত্বকের চুলকানি দূর করতে কলার জুরি নেই। তাছাড়া চুলের কন্ডিশনার হিসেবেও কার্যকর এই ফল। কলার ময়েশ্চারাইজিং উপাদান মাথার ত্বকে নমনীয়তা বজায় রেখে খুশকি এবং জ্বলুনি দূর করে। দুটি কলা চটকে এর সঙ্গে প্রয়োজনে অ্যাভকাডো মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগাতে হবে। আধা ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলতে হবে।- লেবুর রস :এর অ্যান্টিসেপটিক উপাদান মাথার ত্বকের চুলকানি দূর করার পাশাপাশি খুশকি দূর করতেও সাহায্য করে। মাথার ত্বকে লেবুর রস লাগিয়ে পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলতে হবে। যাদের খুশকির সমস্যা আছে তারা চাইলে টক দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে মাথায় লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। চুলকানির সমস্যা পুরোপুরি দূর না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন এই পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।- অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার: জ্বলুনি দূর করতে দারুণ কার্যকর। কারণ ভাইরাস এবং ব্যাক্টেরিয়া দূর করতে এই উপাদান।মাথার ত্বক এবং চুল ভালোভাবে ধুয়ে, একটি পাত্রে অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার ও পানি সমপরিমাণে মিশিয়ে তুলায় নিয়ে সরাসরি মাথার ত্বকে লাগাতে হবে। অথবা একটি স্প্রে বোতলে নিয়ে মাথার ত্বকে স্প্রে করুন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে।- অ্যালোভেরা :এটা ত্বক ময়েশ্চারাইজ করে, তাই মাথার ত্বকের খুশকি, শুষ্কতা এবং চুলকানি দূর করতে সাহায্য করে । অ্যালোভেরার জেল আঙুলে নিয়ে সরাসরি মাথার ত্বকে লাগাতে হবে। ১০ থেকে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে কেমিকল বিহীন শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে।- নারিকেল তেল :চুলের যত্নে নারকেল তেলের উপকারিতা সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নেই। বিশুদ্ধ নারকেল তেল মাথার ত্বকের চুলকানি ও জ্বলুনি দূর করতে সাহায্য করে। পরিষ্কার মাথার ত্বকে সুগন্ধিহীন নারকেল তেল লাগিয়ে আধা ঘণ্টা অপেক্ষা করে ভালোভাবে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। সপ্তাহে তিন দিন ব্যবহারে উপকার পাওয়া যাবে।- টি ট্রি অয়েল :টি ট্রি’য়ে রয়েছে অ্যান্টিফাংগাল এবং অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল উপাদান। বেবি শ্যাম্পুর সঙ্গে ১০ থেকে ২০ ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে চুলে ব্যবহার করতে হবে। যতদিন না মাথার ত্বক পুরোপুরি সুস্থ হয় ততদিন নিয়মিত এই মিশ্রণ দিয়ে মাথায় ম্যাসাজ করুন।আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি।আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন,রয়েছে পাশে সবসময়,মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও