প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার বয়স কত? আপনি পুরুষ না মহিলা? আপনার এলার্জির সমস্যা আছে কি? গ্রাহক, যেহেতু এখন করোনা মহামারী চলছে এবং আপনার সর্দি আছে, এতে বর্তমান পরিস্থিতিতে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি আছে। অন্য কিছুও হতে পারে। সাধারণ ফ্লু হতে পারে আবার এলার্জির জন্যও হতে পারে। পরীক্ষা না করে নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।আপনার সরকার নির্ধারিত হটলাইনে যোগাযোগ করা প্রয়োজন। কিছু ঘরোয়া উপায় আছে যেসব সর্দি থেকে মুক্তি দিতে পারেঃ উঁচু হয়ে শোন # ঠান্ডা ঠান্ডা আবহাওয়ায় নাক বন্ধ ভাব রোধ করতে শোয়ার সময় মাথাকে উঁচু করে শোবেন। এতে মিউকাস কম তৈরি হয়। সবচেয়ে ভালো হয়, ছাদ বা সিলিংয়ের দিকে মুখ করে শুইলে। . ঝাল জাতীয় খাবার খান # সর্দি হলে ঝাল জাতীয় খাবার বেশ উপকারি।এ ক্ষেত্রে ঝাল মরিচ খেতে পারেন। এর মধ্যে থাকা ক্যাপসেসিন নাকের পথ পরিষ্কার করে।গরম ব্যাভারেজ # গরম চা অথবা কফি ঠান্ডা রোধে ভালো কাজ করে। চা,কফির গরম ভাপ মিউকাসকে পাতলা করে। বিশেষ করে গরম চা খেলে ঠান্ডায় ভালো বোধ করবেন।ভাপ নেওয়া # গরম পানির মধ্যে কয়েক ফোঁটা মেনথল যোগ করুন। এরপর আপনার মাথাকে একটি তোয়ালে দিয়ে ঢাকুন এবং গরম পানির ভাপ নিন। এমনভাবে মাথা ঢাকুন যেন বাষ্প বাইরে বেরিয়ে না যায়। তবে যেহেতু গরম পানির ব্যাপার তাই কাজটি করার সময় একটু সতর্ক থাকুন। এই পদ্ধতিগুলো প্রাথমিকভাবে নাক বন্ধ রোধে সাহায্য করে। খুব বেশি সমস্যা বোধ করলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী এন্টি-হিস্টামিন জাতীয় ঔষধ সেবন করতে পারেন। পাশাপাশি জ্বর বা মাথাব্যাথা থাকলে প্যারাসিটামল খাওয়া যাবে। এছাড়া কিছু নিয়ম মেনে চলুন :১।বাসায় নিজ ঘরে পরিবারের সদস্যদের সাথে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে অবস্থান করুন। কথা বলার প্রয়োজন হলে কমপক্ষে ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রেখে কথা বলুন। ২। মাস্ক পরিধান করুন ,মানুষের সাথে করমর্দন ,আলিঙ্গন , চুম্বন বন্ধ রাখুন৩। বারবার হাত মুখ ধৌত করা সাবান বা স্যানিটাইজার ব্যাবহার করে৪।হাত না ধুয়ে চোখ , মুখ , নাক স্পর্শ না করা৫। অসুস্থ পশুপাখির সংস্পর্শে না আসা৬। প্রচুর পানি পান করা এবং ভিটামিন সি যুক্ত ফলমূল , শাকসবজি , বেশি খাওয়া। জ্বর থাকলে ভিজা তোয়ালে দিয়ে শরীর মুছে নিতে হবে। কুসুম গরম পানি দিয়ে প্রতিদিন ৩-৪ বার গড়গড়া করবেন। ঠান্ডা খাবার ও পানীয় পরিহার করবেন। কুসুম গরম পানি, আদা চা, মধু পান করবেন। ৭।হাঁচি কাশি দেয়ার পরে , রোগীর সেবা দেয়ার পরে , মলত্যাগের পরে , খাবার খাওয়ার আগে এবং রান্নার আগে হাত ধুয়ে নেয়া। হাঁচি কাশি দিতে টিস্যু ব্যবহার করুন। ব্যবহৃত টিস্যু এয়ার টাইট বাস্কেটে ফেলুন। জ্বর আসলে প্যারাসিটামল খেতে পারেন। ঠান্ডার জন্য এন্টি-হিস্টামিন জাতীয় ঔষধ খাওয়া যেতে পারে।৮। ঘরবাড়ি জীবাণুনাশক দিয়ে পরিস্কার করবেন। গ্রাহক, সরাসরি ডাক্তারের সাথে ফোনে কথা বলে ঔষধ সংক্রান্ত পরামর্শ পেতে মায়ার বিভিন্ন প্রেসক্রিপশন প্যাকেজ হতে আপনার জন্য উপযুক্ত প্যাকেজটি সাবস্ক্রাইব করে প্রশ্ন করতে পারেন। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও