আপনার বয়স কত ?আপনার কত দিন ধরে এই সমস্যা হচ্ছে? পায়খানা করার সময় মলদ্বার দিয়ে কিছু বের হয়ে আসে? আপনার কি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে ? আপনার অন্যকোন শারীরিক সমস্যা হচ্ছে ? আমাদের জানান। গ্রাহক, কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে।যথেষ্ট পরিমাণ আঁশজাতীয় বা সেলুলোজ জাতীয় খাবার খাওয়ার পরও যদি সপ্তাহে তিন বারের কম স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফূর্ত মলত্যাগ হয়, তবে তাকে কোষ্ঠকাঠিন্য বলে। দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে, এরফলে পাইলস,এনাল ফিশার হয়ে ও এমন রক্ত যেতে পারে।এছাড়া, রেক্টাল পলিপ বা কোলোনিক পলিপের জন্য ও পায়খানার রাস্তা দিয়ে রক্ত যেতে পারে। তাই, আপনাকে একজন গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্টের সাথে অথবা সার্জারী বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করতে হবে।এরজন্য আপনি নিন্মলিখিত কাজ গুলো করবেন। ১. কোষ্ঠকাঠিন্য যেন না হয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকা এবং নিয়মিত মলত্যাগ করা ২. পর্যাপ্ত পরিমাণে শাকসব্জী ও অন্যান্য আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া এবং পানি(প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস) পান করা ৩. সহনীয় মাত্রার অধিক পরিশ্রম না করা ৪. প্রতিদিন ৬-৮ ঘন্টা ঘুমানো ৫. শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ করা ৬. টয়লেটে অধিক সময় ব্যয় না করা৭. সহজে হজম হয় এমন খাবার গ্রহণ করা ৮. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া লেকজেটিভ বেশী গ্রহণ না করা ৯. মল ত্যাগে বেশী চাপ না দেয়া ১০. দীর্ঘমেয়াদী ডায়রিয়া থাকলে তার চিকিৎসা নেয়া। বেশী খাবেনঃ শাকসবজি, ফলমূল, সব ধরণের ডাল, সালাদ, দধি, পনির, গাজর, মিষ্টি কুমড়া, লেবু ও এ জাতীয় টক ফল, পাকা পেপে, বেল, আপেল, কমলা, খেজুর, ডিম, মাছ, মুরগীর মাংস, ভূসিযুক্ত (ঢেঁকি ছাঁটা) চাল ও আটা ইত্যাদি। কম খাবেন বা বর্জন করবেনঃ খোসাহীন শস্য, গরু, খাসি ও অন্যান্য চর্বিযুক্ত খাবার, মসৃণ চাল, কলে ছাঁটা আটা, ময়দা, চা, কফি, চীজ, মাখন, চকোলেট, আইসক্রীম, কোমল পানীয়, সব ধরণের ভাজা খাবার যেমনঃ পরোটা, লুচি, চিপস ইত্যাদি। কোষ্ঠকাঠিন্যে যা করা উচিৎ নয়ঃ১) পায়খানার বেগ ধরলেও নানা অজুহাতে দেরি করা২) নিয়মিত পায়খানা নরম করার বিভিন্ন রকমের ওষুধ সেবন ও ব্যবহার করাএতেও সমাধান না হলে একজন সার্জন এর পরামর্শ নিবেন।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও