প্রিয় গ্রাহক আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।আপনি পরিবারের কিছু মানুষের আচরণে কষ্ট পেয়ে নিজেই নিজেকে আঘাত করেন এবং এর ফলে আপনি ডিপ্রেশনে ভুগছেন।গ্রাহক আমার সাথে শেয়ার করা যায় কি যে আপনি কি নিয়ে কষ্টে আছেন?গ্রাহক মানুষ কোন বিষয় নিয়ে যখন কষ্ট পায় তখন যদি সে নিজেকে দোষী মনে করে বা নিজেই নিজেকে শাস্তি দিতে চায় তখন সাধারণত দেখা যায় যে সে সেল্ফ হার্ম করে।গ্রাহক আপনিও কি এভাবেই চিন্তা করেন?আপনার কি নিজের উপর রাগ হয়?গ্রাহক আপনি কিভাবে নিজেকে কষ্ট দিয়ে থাকেন?গ্রাহক আপনি একটু যুক্তি দিয়ে বিবেচনা করে দেখতে পারেন যে কোন বিষয়গুলোতে আপনি ডিপ্রেশনের থাকেন।তখন আপনার নিজের মনে কি কি চিন্তা ও অনুভূতি কাজ করে।আপনি কি মনে মনে নিজের সাথে কথা বলেন ও নিজেকেই বকা দিতে থাকেন,নিজের প্রতি বিরক্ত হতে থাকেন?গ্রাহক যদি এরকম হয় তবে আপনি একটু যুক্তি দিয়ে ভেবে দেখতে পারেন যে দোষ কি সত্যিই আপনার কিনা।যদি আপনার দোষ না হয় তবে নিজেকে বুঝাতে পারেন যে আমার তো দোষ নেই তবে আমি কেন কষ্ট পাব।যার দোষ সে ত ভালো আছে।আর যদি মনে হয় ও যে আপনার দোষ তখন একটু ভাবতে পারেন যে প্রতিনিয়ত আমরা চলার পথে আমাদের কাছের মানুষের কত ভুল ক্ষমা করে দেই।অথচ আমাদের কাছে সবচেয়ে ভালোবাসার কিন্তু আমরা নিজেই।অথচ আমরা নিজেকে ক্ষমা করতে পারি না।মানুষ মাত্রই ভুল।কিছুটা ভুল হতেই পারে।ভুল থেকে শিক্ষা নেয়া যেতে পারে।কিন্তু আপনার ভীতরেও একটি সত্ত্বা আছে যে আদর ভালোবাসা চায়।তাকে একটু আদর দিয়ে কথা বলতে পারেন।তাকে ভালোবাসতে পারেন।তখন দেখবেন আস্তে আস্তে নিজের প্রতি ভালোবাসা তৈরি হবে।আপনি চাইলেই আপনার প্রতি অন্যদের খারাপ আচরণ কে পরিবর্তন করতে পারবেন না, এটা কখনই আপনার নিজের হাতে নেই। কিন্তু আপনি কিন্তু চাইলেই নিজের ভালো থাকাটা নিশ্চিত করতে পারবেন। এটা কিন্তু আপনার হাতেই আছে। কেউ খারাপ আচরণ করুক বা ভালো আচরণ করুক আপনি কি অনুভব করবেন তা কিন্তু আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। তাই নিজেকে ভালোবাসা টা খুব বেশি জরুরি। তাই যদি নিজেকে ভালোবাসেন তবে আপনি সহজেই অন্যের নেতিবাচক ব্যবহারকে অবজ্ঞা করে নিজের মতো করে ভালো থাকার চেষ্টা করতে পারবেন।আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি।ধন্যবাদ।মায়া।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও