গ্রাহক, আমাদের কানের যে কার্যক্রম, সেটা প্রাথমিকভাবে হলো কানে শোনা। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো ভারসাম্য রক্ষা করা। এ দুটো কানের বিশেষ কাজ। প্রতিনিয়তই এ দুটি আমাদের জন্য জরুরি। কানে কম শোনা বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে একটি প্রচলিত সমস্যা। এ সমস্যার সুদূরপ্রসারী কিছু প্রভাব রয়েছে।বহিঃকর্ণ, মধ্যকর্ণ ও অন্তকর্ণ—এ তিনটি অংশে আমরা কানকে ভাগ করি। বহিঃকর্ণের রোগ নিরাময়যোগ্য, মধ্যকর্ণের রোগও নিরাময়যোগ্য। এগুলো চিকিৎসা করে ভালো হয়ে যায়। আর অন্তকর্ণের এই রোগগুলো ছাড়া বহিঃকর্ণ ও মধ্যকর্ণের যে রোগগুলো রয়েছে, সেগুলোর যদি আমরা কারণ জানি, সেগুলোকে সময়মতো নির্ণয় করতে পারি, সঠিকভাবে যদি চিকিৎসা দিতে পারি, তাহলে এগুলো নিরাময়যোগ্য।আমরা প্রথমে বাইরের অংশ থেকে যদি আসি, কানের ভেতর একটি ময়লা তৈরি হয়। একে আমরা খৈল বলি। এই খৈল একটি স্বাভাবিক জিনিস। এটি যদি পরিমাণে খুব বেশি হয়ে যায়, তাহলে কান বন্ধ হয়ে যেতে পারে। কানের ভেতর যদি বাইরে থেকে কিছু ঢুকে যায়, তাহলে কান বন্ধ হতে পারে। এরপর কানের ভেতর যে চামড়া রয়েছে, সেই চামড়ার যদি কোনো প্রদাহ হয়, এ কারণে যদি বন্ধ হয়ে যায়, সেটার কারণে হতে পারে। আর মধ্যকর্ণের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হলো পর্দা। এটি দিয়ে আমরা কানে শুনি। শব্দ বাইরে থেকে গিয়ে পর্দায় একটি কম্পন তৈরি করে। এই পর্দার যদি কোনো প্রদাহ হয়, পর্দার যদি কোনো ক্ষতি হয়, এই পর্দায় যদি কোনো ছিদ্র থাকে অথবা ছিদ্র যদি নাও থাকে, কানের মধ্যকর্ণে যদি কোনো প্রদাহ হয়, তাহলে সেগুলোকে আমরা ওটাইটিস মিডিয়া বলি। অনেকগুলোর ব্যথা হয়, আবার অনেকগুলো ব্যথা হয় না। শুধু কান থেকে পানি পড়ে। এই কারণগুলো প্রধানত বহিঃকর্ণ ও মধ্যকর্ণের ভেতরের কারণ।অন্তকর্ণের ভেতরে যেটি রয়েছে সেগুলোর প্রধান কারণ হচ্ছে জন্মগত বধিরতা। মাঝামাঝি বিভিন্ন রোগের কারণে কোনো প্রদাহ যদি হয়, তাহলে হতে পারে। আবার ভেতরে যদি কোনো টিউমার হয় সেটার কারণে; মিনিয়াস, মেনিনজাইটিসের কারণে বা অন্তকর্ণের ক্ষতির কারণে স্থায়ী বধিরতা হতে পারে।আপনি একজন নাক কান গলার ডাক্তারের সাথে সাক্ষাত করবেন।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও