আমার বয়স ২৯বছর।। আমার স্বামী মারা যায় ১বছর হলো।। একটা ছেলে আছে ৬+বছর।। এ ছেলেকে নিয়ে স্বামী মৃত্যু পর শ্বশুর বাড়ি মানুষ অনেক সমস্যা করে।। পরে বাবা বাড়ি চলে আসি।। বাবার বাড়িতে আজ ১বছর আছি।। বাবার বাড়িতে সবাই বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছে।। এবং একটু বাজে ব্যবহার করছে।।স্বামী মারা যাবার পর ৬মাসে আমার এক পরিচিত ছেলের সাথে আমার নেটে কথা হয়।। ও আমাকে বিয়ে করতে আগ্রহ দেখায়।। এবং আমাকে তার ভালোবাসা দেখিয়ে তার প্রতি দূর্বল করে।। আমার এবং আমার ছেলেকে মেনে নিবে বলেছে।। আসলে আমিও তাকে পছন্দ করা শুরু করি।। এখন তাকে বিয়ে করতে বললে সে তার পরিবার এর কথা বলে পরিবর্তন হয়ে যায়।। আমি তার কথা পরিবার কেও বলেছি, সে ছেলে বলেছে পরিবারকে জানাতে।। কিন্তু আমি আমার পরিবার কে জানিয়েছি। এখন সে আমাকে বিয়ে করতে চায় না বলে তার পরিবার এ বিয়েতে রাজি না।। সব মিলিয়ে আমি এমন এক পরিস্থিতি আছি কারো সাথে কিছু শেয়ার করতে পারছি না।।। আর ডিপ্রেশনের প্রতি টা উপসর্গ আমার মধ্যে আছে।। এবং মাঝে মাঝে আমি ৪/৫ঘুমের ঔষধ খেয়ে ফেলি।। প্লিজ প্লিজ আমাকে এ সমস্যা থেকে একটু মুক্তি দেন।।

প্রিয় গ্রাহক আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।আপনার স্বামী মারা যাওয়ার পর শ্বশুর বাড়িতে সবাই আপনার সাথে খারাপ আচরণ করেছিল যার কারণে আপনি বাবার বাড়িতে চলে আসেন।বাবার বাড়িতে সবাই আপনাকে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছে। আপনি একজনের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে ছিলেন যার সাথে আপনার বিয়ের কথা হয়েছিল। কিন্তু সে এখন আর আপনাকে বিয়ে করতে চাচ্ছে না।গ্রাহক সে কেন আর বিয়ে করতে চায় না?গ্রাহক আপনি তার সাথে এটা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করতে পারেন।নিজেদের মধ্যে কোন ভুল বুঝাবুঝি হলে তা দুর করার চেষ্টা করতে পারেন।যদি তারপরও তিনি বিয়ে করতে না চান তবে তাকে আপনি এই ক্ষেত্রে স্বাধীনতা দিতে পারবেন কিনা ভেবে দেখতে পারেন।কারণ কেউ না চাইলে আপনি তো আর জোর করে সম্পর্কে থাকতে পারবেন না।এভাবে সম্পর্ক টিকে থাকলেও তা দুইজনকে সুখী করতে পারবে না।এবং আপনাকে সবসময়ই তার কাছ থেকে একটি অবহেলা নিয়ে দিন পার করতে হবে।সম্পর্কটিতে যেমন দুজনের সম্মতি লাগে তেমনি ভাঙতেও দুইজনের সম্মতি লাগে।আর কেউ যেতে চাইলে তাকে আটকে রাখা যায় না। আমি বুঝতে পারছি যে আপনি এখন কতটা কষ্টে আছেন।গ্রাহক আপনি একটু যুক্তি দিয়ে বিবেচনা করে দেখতে পারেন যে কোন বিষয়গুলোতে আপনি ডিপ্রেশনের থাকেন।তখন আপনার নিজের মনে কি কি চিন্তা ও অনুভূতি কাজ করে।আপনি কি মনে মনে নিজের সাথে কথা বলেন ও নিজেকেই বকা দিতে থাকেন,নিজের প্রতি বিরক্ত হতে থাকেন?গ্রাহক যদি এরকম হয় তবে আপনি একটু যুক্তি দিয়ে ভেবে দেখতে পারেন যে দোষ কি সত্যিই আপনার কিনা।যদি আপনার দোষ না হয় তবে নিজেকে বুঝাতে পারেন যে আমার তো দোষ নেই তবে আমি কেন কষ্ট পাব।যার দোষ সে ত ভালো আছে। এটা আপনাকে নিজের ক্ষতি করা থেকে বিরত রাখবে। যেমন আপনি ঘুমের ওষুধ খেয়ে নিজের ক্ষতি করছেন।আপনি চাইলেই আপনার প্রতি অন্যদের খারাপ আচরণ কে পরিবর্তন করতে পারবেন না, এটা কখনই আপনার নিজের হাতে নেই। কিন্তু আপনি কিন্তু চাইলেই নিজের ভালো থাকাটা নিশ্চিত করতে পারবেন। এটা কিন্তু আপনার হাতেই আছে। কেউ খারাপ আচরণ করুক বা ভালো আচরণ করুক আপনি কি অনুভব করবেন তা কিন্তু আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। তাই নিজেকে ভালোবাসা টা খুব বেশি জরুরি। তাই যদি নিজেকে ভালোবাসেন তবে আপনি সহজেই অন্যের নেতিবাচক ব্যবহারকে অবজ্ঞা করে নিজের মতো করে ভালো থাকার চেষ্টা করতে পারবেন।আপনার পরিবার যেহেতু আপনাকে বিয়ের কথা বলছে তাই আপনি কোন বিয়ের সম্পর্কে জড়াতে পারবেন কিনা তাও ভেবে দেখতে পারেন। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি।ধন্যবাদ।মায়া।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও