গ্রাহক,আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। গ্রাহক, কনসিভ করার আগে যে কথাটি মনে রাখতে হবে তা হলো হতাশ হওয়া যাবে না. আপনি টেনশন থেকে নিজেকে দূরে রাখতে চেষ্টা করবেন. সবসময় পুষ্টিকর খাবার এবং প্রচুর পানি খাবেন. যথেষ্ট বিশ্রাম নিবেন.  আপনার মাসিক যদি নিয়মিত হয় বা মাসিক চক্র ২৮-৩২ দিন এর মধ্যে হয় তাহলে আপনাকে জানতে হবে যে,আপনার পরবর্তী মাসিকের এর ১০দিন থেকে ১৬ দিন আগে মেয়েদের শরীর থেকে ডিম্বাণু বের হয়,অর্থাৎ ওভ্যুলেশন হয়। তখন যদি আপনারা সহবাস করেন তাহলে বাচ্চা হওয়ার সম্ভবনা বেশি থাকে।কোন ধরনের জন্ম নিয়ন্ত্রনের ব্যবস্থা ছাড়া নিয়মিত ১ বছর শারীরিক মিলনের পরও কোন দম্পতির যখন সন্তান হয় না,সাধারন ভাবে ১ বৎসর চেষ্টা করেও গর্ভধারণ না হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া যেতে পারে। যে মেয়েদের বয়স ৩৬ এর বেশি বা কোন কারনে গর্ভধারণে সমস্যা হতে পারে বলে সন্দেহ করছেন, তারা আগেই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারেন। বিশেষজ্ঞ ডাক্তার সম্ভাব্য কারন গুলো পরীক্ষা করে দেখবেন এবং সে অনুযায়ী আপনাকে ব্যবস্থাপনা দিবেন। বাচ্চা না হওয়ার কারনসমূহঃঅনেক গুলো সম্ভাব্য কারন আছে, এবং এটা স্ত্রী, পুরুষ উভয়েরই হতে পারে। মূল কারন অনেক সময়ই খুজে পাওয়া যায় না।#মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রধান কারন গুলো হলো - অতিরিক্ত ওজন, হরমনের তারতম্য ঠিকমত ডিম্বস্ফুটন (ovulation) না হওয়া, polycystic ovarian syndrome, ডিম্ববাহী নালীতে কোন প্রতিবন্ধকতা তৈরি হওয়া এবং এন্ডোমেট্রিয়সিস (endometriosis)। #পুরুষের ক্ষেত্রে কারন হলো বীর্য সংক্রান্ত। তাই এক বছর চেষ্টা করার পর বাচ্চা না হলে আপনাদের দুইজনেরই কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা করার প্রয়োজন আছে।আপনারা একজন গাইনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের অধীনে থেকে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করিয়ে সেই অনুযায়ী ব্যাবস্থা গ্রহণ করবেন।   

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও