প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। গ্রাহক, আপনার বয়স কত ? কতদিন ধরে আপনার এই সমস্যা হচ্ছে ? আপনার কি এলার্জির সমস্যা আছে ? আমাদের জানান। চোখ জ্বালাপোড়া কমবেশি সবারই হয়ে থাকে। চোখের অন্য কোনো সমস্যা থেকে লক্ষণ হিসেবে জ্বালাপোড়া করে থাকে। এসব সমস্যার মধ্যে সাধারণভাবে ড্রাই আই সিনড্রম অন্যতম। আরো রয়েছে কনজাংটিভাইটিস, ব্লেফেরাইটিস, পিঙ্ক আই, অ্যালার্জি, ফটো ফোবিয়া, রোজেসিয়া, ওয়েজনার’স গ্র্যানুলোম্যাটোসিস ইত্যাদি। পরিবেশগত কারণেও চোখ জ্বালাপোড়া করে থাকে। যেমন- ধুলোবালু, রোদ, ধূমপান, বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্য। অ্যালার্জি হিসেবে রয়েছে পরাগরেণু, ধুলা, মোল্ড, পশুর পশম ইত্যাদি  চারপাশের পরিবেশে এমন অনেক কিছুই আছে, যা চোখের সংস্পর্শে এলে চোখ জ্বালাপোড়া করাটা খুবই স্বাভাবিক।নানা ধরনের সুগন্ধি দ্রব্যও চোখ জ্বালার কারণ হয়ে থাকে। বয়সজনিত কারণে শরীর তার তেলগ্রন্থির নিঃসরণ কমিয়ে দেয়। ফলে চোখে শুকনো ভাবের সৃষ্টি হয়। এর জন্য চোখে জ্বালাপোড়া হতে পারে। কোনো কোনো ওষুধ সেবনের কারণেও চোখ জ্বালাপোড়া করতে পারে। চোখের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে গেলে অর্থাৎ চোখ শুষ্ক হয়ে পড়লে চোখে জ্বালাপোড়া হয়ে থাকে। একটানা দীর্ঘসময় কম্পিউটারের পর্দার দিকে তাকিয়ে থাকলে এমন সমস্যা হতে পারে। আবার ঘরে বা কর্মক্ষেত্রে শীতাতপনিয়ন্ত্রণযন্ত্র চলতে থাকলে সেখানে যাঁরা দীর্ঘসময় অবস্থান করেন, তাঁদেরও চোখ শুষ্ক হয়ে যাওয়ার ফলে এ ধরনের সমস্যা হতে পারে। করণীয় হঠাৎ চোখে জ্বালা করলে পরিষ্কার পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে নিন সঙ্গে সঙ্গে। এ অবস্থায় চোখ ধোয়ার জন্য ফোটানো পানি ব্যবহার করা ভালো। তবে হাতের কাছে ফোটানো পানি না থাকলে কলের পানি দিয়েও চোখ ধুয়ে নিতে পারেন। একটু বেশি সময় ধরে চোখ জ্বালা করলে চোখে একধরনের ড্রপ ব্যবহার করা যেতে পারে। কৃত্রিম চোখের পানি বা আর্টিফিসিয়াল টিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত এ ড্রপ চোখে দিতে পারেন দিনে তিন থেকে চারবার। ড্রপটি প্রতিবারে এক ফোঁটা করে চোখে দিতে হবে। এসব পদ্ধতি অবলম্বন করার পরেও যদি চোখে জ্বালাপোড়ার ভাবটা থেকে যায়, সে ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। প্রতিরোধের উপায় কম্পিউটারের পর্দার দিকে একটানা দীর্ঘক্ষণ তাকিয়ে থাকবেন না। চোখের পলক না ফেলে কম্পিউটারের পর্দার দিকে একটানা তাকিয়ে থাকলে চোখে জ্বালাপোড়া করতেই পারে। কম্পিউটারে কাজ করার সময় প্রতি ২০ মিনিট পর পর বাইরের দিকে বা দূরে কোথাও তাকান। কাজের মধ্যেও চোখকে এইটুকু স্বস্তি দিতেই হবে, এভাবে কাজ করলে কাজেও আরাম পাবেন। শীতাতপনিয়ন্ত্রণযন্ত্রের একেবারে সরাসরি থাকাটা ঠিক নয়। এ যন্ত্রের ঠান্ডা হাওয়ায় মন জুড়ালেও খেয়াল রাখতে হবে, এ যন্ত্র থেকে সরাসরি আসা সেই হাওয়া চোখকে শুষ্ক করে ফেলতে পারে এবং তা চোখ জ্বালাপোড়ার কারণ হতে পারে। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও