গ্রাহক, আপনার এই প্রশ্নের উত্তর দেয়া হয়েছে. আগের প্রশ্ন চেক করতে পারেন।তারপরও আপনার সুবিধার্থে আবার এখানে জানাচ্ছি , আমাশয় বা ডিসেন্ট্রি বলতে আমরা সাধারন ভাবে যা বুঝায়– অ্যামিবা (এক কোষী পরজিবি বা পেরাসাইট) এবং সিগেলা-shigella এক ধরনের বেক্টরিয়ার ধারা মানবদেহের পরিপাকতন্ত্রে (গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল) বাসা বেঁধে যে ঘা বা ইনফেকশনে পেটে কামড়ানো সহ মলের সাথে পিচ্ছিল আম অথবা শ্লেষ্মা যুক্ত রক্ত যাওয়া কে আমাশয় বা ডিসেন্ট্রি বলা হয়।যদি আপনার বারবার পায়খানা হয়। পায়খানার সঙ্গে যদি রক্ত বা মিউকাস যায়, তখন আমরা একে বলি আমাশয়। আমাশয় প্রধানত দুই ধরনেরঃ১। এমোয়েবিক ডিসেনট্রি২। আরেকটি হলো বেসিলারি ডিসেনট্রি। এমোয়েবিক আমাশয় থেকে বেসিলারি আমাশয় জোড়ালোভাবে হয়। এতে মলের সাথে আম এবং প্রচুর পরিমাণ রক্ত যাবে। পেটে ব্যথা থাকবে, পায়খানা হবে। আবার অনেক সময় পেটে ব্যথায়ই হবে তবে পায়খানা হবে না। অনেক সময় দেখা যাবে রোগীর সিস্টেমিক অন্যান্য রোগের অভিযোগগুলো চলে আসে।যেহেতু আপনি বারবার মল ত্যাগ করছেন, বারবার শরীর থেকে পানীয় বেরিয়ে যাচ্ছে। তাই ফ্লুইড দিতে হবে, এটা হচ্ছে এক নম্বর। আর দুই নম্বর হলো, পায়খানাকে কালচার সেনসিটিভিটি করে যেভাবে রিপোর্ট আসে, ওইভাবে তার অ্যান্টিবায়োটিক শুরু করতে হবে।অথবা যেখানে কালচার সেনসিটিভিটি করার সামর্থ নেই বা রিপোর্ট পেতে রোগীর দুই তিনদিন সময় লেগে যেতে পারে, এতে করে রোগী মারাত্মক পর্যায়ে চলে যেতে পারে, তখন অনুসন্ধান ছাড়া যেই চিকিৎসা আছে, সেটা তাকে দিতে হবে।সঠিক ব্যবহার, সঠিক ডোজ, সঠিক সময় মেনে অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হবে। এই তিনটি মেনে অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হবে। অন্যথায় অ্যান্টিবায়োটিকের বিরূপ প্রতিক্রিয়া, রেজিসটেন্স সৃষ্টি হবে। যেখানে যে অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন সেটা দিতে হবে। যেই পরিমাণে দরকার, সেই পরিমাণে দিতে হবে। যেই স্থিতিকাল ধরে দরকার, সেটি দিতে হবে।আমাশয় নিরাময়ে ভেষজকুড়চি : ১০-২০ গ্রাম ছাল ৩-৪ কাপ পানিতে সিদ্ধ করে ১কাপ থাকতে নামিয়ে সেব্য।থানকুনি : দৈনিক ২-৩ গ্রাম থানকুনি চিনিসহ ২-৩ বারসেব্য।বেলশুঁঠ বা কচিবেল : ৬ ঘন্টা পরপর ২-৫ গ্রাম কাঁচা বেলশ্বাস ঠান্ডা পানিসহ সেব্য।কাঁচাকলা : পানিমাণমত কাঁচাকলা তরকারী বা ভর্তা বানিয়েখেতে হয়।আমিষ জাতীয় খাবার একটু কম খাবেন।তাই মল পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে gastroenterologyবিভাগের ডাক্তার এর শরণাপন্ন হবেন । এছারা উপরোক্ত পদ্ধতি মেনে চলে উপক্রিত হবেন । তবে নিজের যত্ন নিবেন । পরিষ্কার পরিছন্ন থাকবেন । যদি অধিক রক্ত ক্ষরণের প্রবণতা দেখা যায় সেক্ষেত্রে ঘরোয়া পদ্ধতির সাথে antibiotic এর প্রয়োজন আছে ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও