গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কারো জ্বর (১০০ ডিগ্রী ফারেনহাইট এর বেশী) , গলা ব্যাথা, কাশী, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিলে এবং বিদেশ ভ্রমণ করে এসেছেন বা এমন কারো সংস্পর্শে এসে থাকলে, বিলম্ব না করে টেস্ট করে নিতে হবে। এ সংক্রান্ত উপসর্গ দেখা দিলে অতিসত্বর সরকারের রোগ তত্ত্ব, রোগ নির্ণয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের হটলাইন নাম্বারে যোগাযোগ করুন। এক্ষেত্রে অবশ্যই অন্তত ৬ ফুট দূরত্বে থাকুন অন্যদের থেকে এবং মাস্ক ব্যবহার করুন। এই ভাইরাস এর জন্য সুনির্দিষ্ট কোন চিকিৎসা বা ওষুধ এখনো আবিষ্কৃত হয়নি। এক্ষেত্রে আইসোলেশন বা রোগীকে আলাদা রাখা বিশেষ জরুরী। কেননা এটি আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে অন্যের কাছে ছড়াতে পারে।কাজেই এই ভাইরাস যাতে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে, হাঁচি কাশির মাধ্যমে এটি ছড়াতে পারে।এই ভাইরাস প্রতিরোধে আগে থেকেই কিছু ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। যেমন ঘন ঘন সাবান দিয়ে হাত ধোয়া এবং টিস্যু ব্যবহার করে তা আবদ্ধ স্থানে ফেলে দেওয়া, আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরে থাকা এবং মাস্ক ব্যবহার করা জরুরী। করোনা ভাইরাস নিয়ে খুব বেশি আতংকিত হবার প্রয়োজন নেই। কিছু সাধারন হাইজিন মেনে চললে এই রোগ সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। যেমনঃ ১। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া জনসমাগম পরিহার করা, বাহিরে বের হলে গনপরিবহন এড়িয়ে চলা। ২। বাহিরে বের হলে মাস্ক পরিধান করা ,মানুষের সাথে করমর্দন ,আলিঙ্গন বা এধরনের সংস্পর্শ বন্ধ রাখুন।৩।বারবার সাবান বা স্যানিটাইজার ব্যবহার করে হাত মুখ ধৌত করা । অথবা এলকোহল বেসড স্যানিটাইজার সাথে রাখুন। ৪। হাত না ধুয়ে চোখ,মুখ,নাক স্পর্শ না করা।৫। অসুস্থ পশুপাখির সংস্পর্শে না আসা।৬। প্রচুর পানি পান করা এবং ভিটামিন সি যুক্ত ফলমূল , শাকসবজি , বেশি খাওয়া, মাছ মাংস ভালোভাবে সিদ্ধ করে রান্না করতে হবে।৭।হাঁচি কাশি দেয়ার পরে, রোগী সেবা দেয়ার পরে,মলত্যাগের পরে,খাবার খাওয়ার আগে এবং রান্নার আগে হাত ধুয়ে নেয়া। ধন্যবাদ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও