আমার নাম মোহাম্মদ আবু মাসুম,বয়স ৪৬ পেশা বেসরকারি কম্পানীতে চকুরী।১৯৯৩ সাল আমি অনার্স ১ম বর্সের ছাত্র, থাকতাম মেসে। একদিন বিকাল বেলায় শুয়ে বিসরাম নিচ্ছি,এমন সময় হঠাৎ মনে পরলো আমি আর বাঁচবো না,আমি বাঁচবো না এ কল্পনা টা আর মন থেকে বাদদিতে পারছিলাম না,অবশেষে মেস ছেরে চেলে গেলাম বাড়িতে। বাড়িতে গিয়ে কারো সংগে কোন কথা বলিনা,এ ভাবে চলতে থাকে কিছু দিন,রাতে ঘুম নেই,শরীরে জ্বর বইতে থাকলো,খাবারে অনিহা, যেহেতু কারো সংগে কোন কথা বলিনা, নিজের মতো করে একাএকিই চলতে থাকি, বড়ীর লোকজন ভাবলো না জানি কোন আছর লেগেছে শুরু হলো কবিরাজী চিকিৎসা, এরি মধ্যে চলেগেলো ১টি মাস, আমি আর ভলো হচ্ছিলাম না,অবশেষে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শে  ঔষধ গ্রহণ করি, অদ্যবধি ভালো,  কিন্তু এখনো সেই আগের মতো চিন্তা ধারোনা মাঝে মধ্যে চলে আসে, কোন কিছু ভালো লাগেনা, মন খরাপ থাকে, অফিসিয়াল কোন কাজে মন বসেনা, একটু অসুস্থ হলেই সেই  পূর্বের চিন্তাটা আরও প্রকট আকার ধারণ করে, এমতাবস্থায় আমি কি করতে  পারি, আপনার সু পরামর্শ পেলে উপকৃত  হবো।

সম্মানিত গ্রাহক,আপনার প্রশ্নের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আপনি এই সমস্যাটি নিয়ে বেশ অনেক দিন ধরেই সময় পার করেছেন। এর ফলে আপনার খারাপ লাগা কতখানি আমি বুঝতে পারছি। আপনি কি আমাকে অনুগ্রহ করে বলবেন যে আপনার এই সমস্যার জন্য আপনি মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পাশাপাশি কখনো মনোবিজ্ঞানীর কাউন্সেলিং বা সাইকোথেরাপি নিয়েছিলেন কি? মানসিক সমস্যা গুলোর সাধারণত দুই ধরনের চিকিৎসা হয়ে থাকে- ওষুধের মাধ্যমে যেটা একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার প্রদান করে থাকেন এবং কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে যেটি একজন বিশেষজ্ঞ মনোবিজ্ঞানী প্রদান করে থাকেন। আপনি আপনার যে সমস্যার কথা বললেন সে জন্য ওষুধের পাশাপাশি আপনার কাউন্সেলিং সেবা প্রয়োজন।গ্রাহক, অসুস্থ হলেই আপনার মাঝে সুনির্দিষ্ট কি কি চিন্তা আসে তা কি আমাদের সাথে শেয়ার করা যায়। চিন্তা আমাদের সবার মাথায়ই আসে কিন্তু এটা তখনই সমস্যা হয় যখন আমরা চিন্তাগুলো নিয়ে অতিরিক্ত মাত্রায় প্রভাবিত হই। চিন্তার দ্বারা আমাদের আবেগ, আচরণ, শারীরিক প্রতিক্রিয়া সবকিছুই নিয়ন্ত্রিত হয়। আপনার ক্ষেত্রে চিন্তার কারণে কি ধরনের প্রভাব পরছে আমাদের জানাবেন কি? আপনার মাথায় যে চিন্তা গুলো আসে সে চিন্তা গুলো লিখে ফেলুন। এবং এই চিন্তা গুলোর সত্যতা যাচাই করুন। সত্যতা যাচাই করার জন্য এর পক্ষে কি কি যুক্তি আছে এবং এর বিপক্ষে কি কি যুক্তি আছে দেখুন। এবং ঐ চিন্তার শেষটা নামিয়ে ফেলুন। পরবর্তীতে যখন ঐ চিন্তাটা আসবে তখন সত্যতা যাচাই করে যে শেষটা এসেছিল সেই অনুযায়ী আচরণ করতে পারেন। যে চিন্তাগুলো সঠিক নয় তার পরিবর্তে অলটারনেটিভ চিন্তা করতে পারেন। এর বাইরে আপনার কথা গুলো মনোযোগ দিয়ে শুনবে এবং গোপনীয়তা বজায় রাখবে তার সাথে শেয়ার করতে পারেন।আপনি যে সমস্যার কথা বলেছেন সে সমস্যাটি ভাল মত বোঝার জন্য এবং কি করনীয় সে সম্পর্কে বিস্তারিত এই ভিডিওতে আছে যা আপনাকে সাহায্য করবে বলে মনে করছিঃ https://youtu.be/_op_smhrzs8 আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে মায়া কে জানাবেন। আপনার পাশে সব সময় আছে মায়া।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও