প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। মলাশয়ের নিম্নাংশ বা মলদ্বারের শিরাগুলো ফুলে গেলে সেগুলোকে অর্শ ,গেজ বা পাইলস বলে। এই অর্শ মলদ্বারের অভ্যন্তরেও হতে পারে আবার বাইরেও হতে পারে।নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ অর্শ হওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখেঃ১. দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া২. শাকসব্জী ও অন্যান্য আঁশযুক্ত খাবার এবং পানি কম খাওয়া৩. শরীরের অতিরিক্ত ওজন৪. গর্ভাবস্থা৫. লিভার সিরোসিস৬. মল ত্যাগে বেশী চাপ দেয়া৭. অতিরিক্ত মাত্রায় লেকজেটিভ (মল নরমকারক ওষুধ)ব্যবহার করা বা এনেমা (শক্ত মল বের করার জন্য বিশেষতরল মিশ্রণ ব্যবহার করা) গ্রহণ করা৮. টয়লেটে বেশী সময় ব্যয় করা৯. বৃদ্ধ বয়স১০. পরিবারে কারও পাইলস থাকা১১. ভার উত্তোলন, দীর্ঘ সময় বসে থাকা ইত্যাদি।একটি গামলায় কুসুম গরম পানি নিয়ে প্রতিবার মল ত্যাগের পর ১০--২০ মিনিট বসে থাকবেন।⇒ বেশি ফুলে গেলে বরফ দিতে পারেন।⇒ চিকিৎসকের পরামর্শে নিয়মিত মলম ব্যবহার করুন।⇒ প্রদাহ বা সংক্রমণের দ্রুত চিকিৎসা নিন।⇒ প্রতিদিন প্রচুর আঁশযুক্ত সবজি, ফলমূল ও খাবার গ্রহণ করবেন; মাংস, কম আঁশ ও বেশি চর্বিযুক্ত খাবার, ফাস্টফুড ইত্যাদি পরিহার করুন। প্রচুর তরল ও দিনে ছয়-সাত গ্লাস পানি পান করুন।⇒ কোষ্ঠকাঠিন্যের চিকিৎসা করুন, মলত্যাগে কখনো বেশি চাপ প্রয়োগ করবেন না, আটকে রাখবেন না।⇒ ওজন নিয়ন্ত্রণ করুন, নিয়মিত ব্যায়ামে কোষ্ঠকাঠিন্য কমে।মনে রাখবেন, এটি জটিল কোনো রোগ না হলেও একটি দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা। কিন্তু নীয়ম মেনে চললে দ্রুত আরোগ্য লাভ করা যায়। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও