যেসব শিশু কৌটার দুধ খায় তাদেরও সমস্যা বেশি হয়। জন্মের তিন মাস পর্যন্ত নবজাতকের গ্যাসের সমস্যা খুবই স্বাভাবিক কারণ এ সময় বাচ্চার পরিপাক্তন্ত্র ধীরে ধীরে সুগঠিত হয়। ৬-১২ মাস পর্যন্তও এটা স্বাভাবিক কারণ এ সময় বাচ্চা বিভিন্ন ধরনের খাবার প্রথম বারের মত খাওয়া শুরু করে।বাচ্চার পেটে যখন গ্যাস হয় তখন তার পাকস্থলী বাতাসের কারণে ফুলে যায় যা বাচ্চার হজমের প্রক্রিয়ার কারণে হতে পারে বা খাওয়ার সময় বাচ্চার পেটে বাতাস ঢুকে যাওয়ার কারনেও হতে পারে।খুব দ্রুত খাওয়া:- যদি বাচ্চার মায়ের বুকের দুধ বেশী থাকে বা বোতলে খাওয়ানো বাচ্চার বোতলের নিপলের ছিদ্র যদি বড় থাকে তবে বাচ্চা খুব দ্রুত দুধ গিলতে থাকে এবন সেই সাথে বাতাসও বাচ্চার পেটে চলে যায়, যার কারণে গ্যাস হতে পারে।খুব আস্তে খাওয়া:- একইভাবে মায়ের বুকে দুধ কম আসলে বা বোতলের ছিদ্র বেশী ছোট হলে বাচ্চার দুধ খাওয়ার সময় অতিরিক্ত বাতাস বাচ্চার পেটে চলে যায় এবং গ্যাস তৈরি করে।বোতলের দুধে ফেনা থাকলে:- বাচ্চাকে ফর্মুলা খাওয়ানো হলে ফর্মুলা তৈরি করার সময় বোতল যত বেশী ঝাঁকানো হয় তত বেশী তাতে ফেনা হয়। এতে বাচ্চার পেটে গ্যাস হতে পারে। তাই দুধ তৈরি করার পর কিছুক্ষণ রেখে দিন যাতে ফেনা কমে যায়। এরপর বাচ্চাকে খেতে দিন।দুধের কোন নির্দিষ্ট প্রোটিন এর কারণে:- বাচ্চার যদি বুকের দুধ খায় তবে মায়ের ডায়েটের কোন প্রোটিনের কারণে বাচ্চার পেটে গ্যাস হতে পারে। মা ডেইরি প্রোডাক্ট খেলে এ সমস্যা বেশী দেখা যায়। কিসের কারণে হচ্ছে তা নিশ্চিত করা গেলে তা মায়ের ডায়েট থেকে বাদ দিন। যদি বাচ্চা ফর্মুলা খায় তবে ফরমুলার কোন প্রোটিন হয়ত বাচ্চার সহ্য হচ্ছেনা তাই গ্যাস হচ্ছে। এমন হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ফর্মুলা পরিবর্তন করে দেখতে পারেন। বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় ঠিক ভাবে ধরতে হবে -পজিসন হলঃ: বাচ্চার পুরা শরীর সাপোর্ট দিন: বাচ্চার পুরা শরীর মায়ের গায়ের সাথে লাগিয়ে নিন:বাচ্চার মাথা শরীরের সাথে সোজা থাকবে: বাচ্চা স্তনের দিকে ঘুরানো থাকবে, বাচ্চার নাক নিপল বরাবর থাকবেএটাচমেন্ট হলঃ: বাচ্চার চিন ব্রেস্টে লাগানো থাকবে: বাচ্চার মুখ বড করে খোলা থাকবে: বাচ্চার নিচের ঠোট বাইরের দিকে বাকানো থাকবে

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও