প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার ভাইয়ের বয়স কত ? ওনার পরিবারের অন্য আর কারো এই ধরনের সমস্যা হচ্ছে ?  উনি কি ইতিমধ্যে করোনা ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত  কারো সংস্পর্শে এসেছেন? আমাদের জানান।  যদি আপনার ভাই কোন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির সংষ্পর্শে এসে থাকেন,তবে   IEDCR এর হেল্প লাইন ১৬২৬৩ অথবা ৩৩৩ যোগাযোগ করবেন। যদি উনি কোন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির  সংস্পর্শে না এসে থাকেন, সে ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলুন, পরিবারের সকল সদস্য থেকে আপাতত দূরত্ব বজায় রাখুন, অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করুন, হাঁচি বা কাশি আসলে যে টিস্যু পেপার ব্যবহার করবেন, সেটি অবশ্যই ঢাকনাযুক্ত ডাস্টবিনে ফেলুন, এবং হাত ব্যবহার করবেন না। দরকার হলে হাতের কনুই ব্যবহার করুন।হাত ভালো করে সাবান দিয়ে পরিষ্কার করুন, অন্তত ২০সেকেন্ড হাত ধুবেন এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন।  এরসাথে সাথে জ্বর কমানোর জন্য  প্রথমে দেহের তাপমাত্রা কমানোর ওষুধ প্যারাসিটামল বা এইস  এবং যদি সর্দি থাকে ,সর্দির জন্য এন্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ কয়েকদিন খেলেই এ রোগ সেরে যায়।এছাড়া, সর্দির জন্য ফুটন্ত গরম পানিতে কয়েক টুকরো মেন্থল ক্রিস্টাল দিয়ে, তার ভাপ নিন।এতে সর্দি ভেতর থেকে গলে বের হয়ে আসবে এবং আপনার মাথা ব্যথা এবং মাথা ভার হয়ে থাকা কমবে। তবে অনেক সময় ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের লক্ষণ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী উপযুক্ত এন্টিবায়োটিক সঠিক মাত্রায় পাঁচ থেকে সাত দিন খেতে হবে।জ্বর হলে প্রাথমিকভাবে স্পঞ্জিং করা উচিত। অনেক ক্ষেত্রেই পুরো শরীর ভেজা নরম কাপড় বা তোয়ালে দিয়ে একটানা কয়েকবার আলতো করে মুছে দিলে শরীরের তাপমাত্রা কমে যায় এবং খুব ভালো বোধ করে ।তাপমাত্রা বেশী হলে মাথায় পানি দিলে জ্বর কমবে এবং ভাল বোধ করবেন। জ্বরের সময় যতটা সম্ভব বিশ্রামে থাকতে পারলে ভালো। স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে এছাড়াও লেবুর রস মুখে রুচি আনতে সাহায্য করে তাই লেবু বা লেবুর শরবত খাওয়া যেতে পারে। ফলের মধ্যে আনারস, পেয়ারা বা আমলকি জাতীয় খাবার খাওয়া যেতে পারে।  তাজা, পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা, যা দেহকে সতেজ রাখবে এবং রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করবে। ঠাণ্ডা জাতীয় খাবার যেমন- আইসক্রিম, ফ্রিজের পানি, কোল্ড ড্রিঙ্কস একেবারেই পরিহার করতে হবে। যদি কাশি থাকে ,তবে কাশি কমাতে কিছু জিনিস করুন :- *গার্গল বা কুলকুচি: এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে আধা চা-চামচ লবণ মিশিয়ে কুলকুচি করতে হবে। এক সপ্তাহ প্রতিদিন তিন বেলা করে কুলকুচি করবেন। এতে কফ, কাশি এবং গলাব্যথা সবই খুব দ্রুত কমে যাবে। এটি খুবই কার্যকর একটি পদ্ধতি। *মধু: এক কাপ লেবুমিশ্রিত চায়ের মধ্যে এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। মধু কাশি কমাতে সাহায্য করে এবং গলাব্যথা কমায়। *এ ছাড়া আদা চা, গরম পানি খাওয়া, গলায় ঠান্ডা না লাগানো নিয়মিত মেনে চললে কাশি দ্রুত ভালো হয়ে যায়। হাঁচি-কাশির সময় পরিষ্কার রুমাল ব্যবহার করবেন। শিশু, বয়ষ্ক, রুগ্ন ও গর্ভবতীদের থেকে দূরে থাকবেন। এটুকু করলেই ধীরে ধীরে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার মাধ্যমেই ভাইরাসকে কাবু করা যাবে। তখন বুঝতে হবে এটা সাধারণ ফ্লু-ই ছিল। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও