ধন্যবাদ গ্রাহক।  জি না। তবে আপনার  জন্য রয়েছে কিছু পরামর্শ।#  নিদ্রাসূচিতে লেগে থাকুনযেদিন ছুটি বা অফ ডে, সেদিনও রাতে জেগে থাকতে হবে এবং দিনে ঘুমাতে হবে। নিদ্রা জাগরণসূচি কখনো ভাঙা চলবে না। একই সময় ঘুমাতে যাবেন, একই সময় জেগে উঠবেন।#। নিদ্রাবিধি নিখুঁত থাকা চাইনিদ্রাসূচি পালনে অবিচল থাকা হলো নিদ্রাবিধি বা স্লিপ হাইজিনের মূল কথা। রাতের পালার কর্মীদের জন্য কথাটি বড় সত্য। যাঁরা শুরু করবেন তাঁদের জন্য বলি—ঘরটি যেন হয় শান্ত, নীরব, অন্ধকার। দিনের বেলা এটি বেশ কঠিন যদিও। আলোরোধক পর্দা চাই, সেলফোন বন্ধ চাই। শিফট শুরুর আগে চা-কফি খেলেও শেষের দিক ক্যাফেয়িন নৈব চ।#। আলোকিত হোকআলো আমাদের মগজে সংকেত পাঠায় সজাগ থাকার জন্য। এ জন্য আমরা উজ্জ্বল দিবালোকে থাকি জাগ্রত আর গাঢ় অন্ধকারে নিদ্রালু বোধ করি। তাই কর্মস্থল যত আলোকিত হবে, সজাগ থাকা যাবে তত বেশি। কাজের সময় আলো যেমন বন্ধু, কিন্তু শিফট শেষে সে হয়ে যায় শত্রু, কারণ ঘুমের জন্য মনে প্রত্যাশা গাঢ় অন্ধকার। সকালে ঘরে ফেরার সময় মগজ পায় মিশ্র সংকেত। সকালে যানবাহনে ফেরার সময় চোখে গাঢ় রোদ চশমা পরা ভালো।#  ছোট ঘুম বা ন্যাপ হওয়া চাই কুশলীরাতের পালার কর্মীদের দিনের একবেলা ঘুমিয়ে রাতের ঘুম পূরণ করার কথা। কিন্তু কখনো তা হয়ে ওঠে না, পারাও যায় না। তাই যথাসময়ে একটু ঘুম, কাজের আগে আগে এক ঘণ্টা তন্দ্রা, পুরো পালায় তাঁকে সজাগ রাখতে সহায়ক ।# কাজে খুব ভুলত্রুটি হচ্ছে, গাড়িতেই ঘুমিয়ে পড়তে হচ্ছে, ঘুমিয়ে পড়তে সমস্যা হচ্ছে, উচ্চরক্তচাপ, বিষণ্নতা এসবের জন্য দুশ্চিন্তা, তাহলে ডাক্তার দেখাতে হবে।#। পরিবারে আলোচনা করে মিটিয়ে ফেলুন শিফট কাজের কারণে সমস্যাগুলো।হয়তো নিদ্রা ও জাগরণসূচি মানিয়ে নেওয়া গেল, কিন্তু রাতের পালার কাজ বেশ চাপ ফেলে সম্পর্কের ওপর, পরিবার-পরিজনের ওপর। বাচ্চাদের খেলা বা কনসার্টে তাদের সঙ্গে যাওয়ার কথা তখন হয়তো ঘুমের সময়, নয়তো শিফটে যাওয়ার সময় হলো। আর ঘুম ঘুম ভাব নিয়ে থাকলে বদমেজাজ থাকে, হয়ে যান অন্য মানুষ। তাই এমন কাজে নিজের ওপর যে প্রভাব পড়ে তা-ই নয়, প্রভাব পড়ে বাচ্চাকাচ্চা ও পরিবারের অন্যদের ওপরও।তাই এ নিয়ে পরিবারে আলোচনা চাই, পরিকল্পনা চাই। শিফটের ফাঁকে ফাঁকে সময় বের করে একসঙ্গে সময় কাটানোর ফুরসত বের করতে হবে। ঘরোয়া কাজ ও স্বামী-স্ত্রী ভাগাভাগি করে করা উচিত। দৈহিক ও ইমোশনাল অন্তরঙ্গতার জন্যও পরিকল্পনা চাই। 

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও