প্রিয় গ্রাহক,আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।গ্রাহক,গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন হরমোন জনিত কারনে শরীরের বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন হয়।এ সময় দাঁত ও মাড়ির বিশেষ যত্ন নেয়া উচিত।  গ্রাহক,দাঁতে দীর্ঘ সময় খাবার জমে থাকলে পরিস্কার না করার ফলে দাঁতের উপর পাতলা আবরন পরে যায়, এই পাতলা আবরন পরবর্তীতে শক্ত পাথরে পরিনত হয় যা মাড়ির উপরে ও নিচে এবং দাঁতের ফাঁকে ফাঁকে অবস্থান করে।যার ফলে মাড়ি ফুলে যায়,রক্ত পড়ে এবং মুখে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়।আবার ভিটামিন সি এর অভাবে মাড়ি ফুলে যায়,লাল হয়ে যায় ফলে চাপ দিলে বা খোঁচা লেগে রক্ত পড়তে পারে।একে ডাক্তার দের ভাষায় জিনজিভাইটিস বলা হয়।এই সমস্যা গুলো থেকে পরিত্রান পেতে হলে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে।প্রতিদিন দুই বেলা খাবার পরে (সকালে নাস্তার পরে এবং রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে) সঠিক নিয়মে (উপর নিচে) দাঁত ব্রাশ করতে হবে।আগে পিছে ব্রাশ করলে মাড়ি ক্ষয় হবে।রক্ত পড়লেও খুব ভাল করে ওই জায়গা ব্রাশ করতে হবে।ব্রাশ করার পরে ২-৩ মিনিট মাড়ি আঙ্গুল দিয়ে ম্যাসেজ করবেন। ২-৩মিনিট এর বেশি সময় ধরে ব্রাশ করবেন না।নরম ব্রাশ ব্যবহার করবেন।একটি ব্রাশ ৩ মাসের বেশি ব্যবহার করবেন না। দাঁতের মধ্যবর্তী অংশে জমে থাকা খাবার পরিস্কার করার জন্য দিনে অন্তত ১ বার ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করতে হবে।যেহেতু মাড়ি তে রক্ত চলাচল বেশি তাই খুব জোরে জোরে এদিক সেদিক শক্ত ব্রিসল যুক্ত ব্রাশ দিয়ে ব্রাশ করবেন না। তাহলে রক্ত পড়তে পারে।হালকা লবন গরম পানি দিয়ে দিনে ৩-৪বার কুল্কুচি করবেন।ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল্মুল প্রতিদিন এর খাদ্য তালিকায় রাখবেন। এই অভ্যাস গুলো সব সময় মেনে চলতে হবে।এর কোনটাই একদিন ও বাদ দেয়া যাবেনা। *** এ সময় কারো কথা শুনে বা কোন ধারনা থেকে কোন ধরনের ওষুধ খাবেন না।সব সময় আপনার গাইনি ডাক্তার এর পরামর্শ নিয়ে ওষুধ খাবেন। গ্রাহক,করোনা ভাইরাস বর্তমানে মহামারি আকারে অগ্রসর হচ্ছে তাই বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হবেন না।জন সমাগম এড়িয়ে চলুন।পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকুন।আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আপনার এবং অনাগত সন্তানের জন্য রইল অসংখ্য শুভ কামনা। আরও কোন প্রশ্ন থাকলে জানাবেন।আছে আপনার পাশে সব সময় মায়া।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও