আমি বর্তমানে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখিয়েছি মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখানোর পরে তিনি আমাকে এই ওষুধগুলো দিয়েছেন ওষুধগুলো যখন আমি সেবন করি ভাল থাকি সেবন করা বন্ধ করে দিলে মাথার ভেতর কেমন যেন লাগে নিজেকে একাকীত্ব লাগে তা কিন্তু অনুভব করি ওষুধ না খেলে আমি কি ডিসিশন নিব ঠিকমতো নিতে পারিনা। আমি বর্তমানে যে ওষুধগুলো সেবন করিয়ে তাProval CR 300.Eceta 10.aminten 0.5.Recard ... অ্যামিটার রিকার্ড খেলে আমার হালকা ঘুম আসে।আরেকটা সমস্যা হচ্ছে আমার দিনের বেলা ঘুম আসে রাতের বেলা ঘুম হয় না সারারাত সজাগ থাকি ভোর বেলার পর ঘুম হয় আমি বিভিন্ন দুশ্চিন্তার সম্মুখীন হয়ে থাকি যেমন আমার বাবা নেই আমি কিভাবে বাঁচবো কিভাবে কি করবো ধরনের বিভিন্ন সমস্যা পুরো সংসারের দায়িত্ব আমার উপরে থাকার দরুন বিভিন্ন মানসিক প্রেসারে আমি খুঁজছি সে ক্ষেত্রে আমি কি করতে পারি আমার রাতে ভালো ঘুম হওয়ার জন্য এবং বেনেনের উপর প্রেসার কমানোর জন্য। তবে আমি প্রচুর পরিমাণ মোবাইল টিপাটিপি করি

প্রিয় গ্রাহক আপনি নিজের সমস্যার প্রতি বেশ সচেতন যা খুবি ইতিবাচক। একজন মানুষের দৈনিক ঠিক কয় ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন এই প্রশ্নের শর্টকাট কোন উত্তর নেই। অনেকে রাতে কম সময় ঘুমিয়েও পরদিন বেশ সতেজ ও ফুরফুরে থাকে। আবার কারো কারো বেশিক্ষণ ঘুমের প্রয়োজন হয়। তবে ঘুমের স্বাভাবিক সময়সীমা হলো ৬ থেকে ১০ ঘন্টা। আর বয়স বাড়ার সাথে সাথে মানুষের ঘুমের সময়সীমা কমে যায় কিন্তু বিশ্রাম নেবার প্রয়োজন এবং প্রবণতা বেড়ে যায়।  ভালো ঘুমের জন্য কিছু নিয়ম-কানুন বা স্লিপ হাইজিন মেনে চলা জরুরি। এই নিয়ম-কানুনগুলো মন থেকে মেনে চললে আপনার অবাধ্য ঘুম ধীরে ধীরে বাধ্য আর লক্ষ্মী হয়ে উঠবে। তবে অনেক সময় অন্য কোন রোগের উপসর্গ হিসেবেও ঘুমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে স্লিপ হাইজিনের সাথে সাথে সেই রোগের চিকিৎসাও শুরু করা দরকার। গ্রাহক আপনি কত ঘণ্টা ঘুমান? আপনার বয়স করত? আপনি কি শারীরিক পরিশ্রম বেশি করেন? আপনাকে সাহায্য করার জন্য এই প্রশ্নের উত্তর জানা খুবি প্রয়োজন।   ●    ঘুমোতে যাবার পর শোবার ঘর যতটা সম্ভব অন্ধকার করে রাখুন। ●    আপনার ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসগুলো বিছানা থেকে সরিয়ে ফেলুন। ●    ঘুমোতে যাবার আগ মুহূর্তে টেলিভিশন দেখা বা যেকোনো স্ক্রিনে চোখ রাখা থেকে বিরত থাকুন। ●    আপনার সমস্ত কাজ ঘুমোতে যাবার এক ঘন্টা আগে সেরে নিন। ●    বিকেলের পর থেকে চা ,কফি, চকলেট এবং কড়া মিষ্টি বা গ্লুকোজ জাতীয় খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন। ●    রেড মিট বা প্রোটিন জাতীয় খাবার ঘুমানোর কয়েক ঘন্টা আগে গ্রহন করুন। তবে ঘুমোতে যাবার আগে হালকা ফলমূল খেতে পারেন। আর যে সমস্ত খাবারের প্রতি আপনার এলার্জি বা সংবেদনশীলতা আছে তা পরিহার করুন।  ●    দীর্ঘক্ষণ দিবানিদ্রার অভ্যাস ত্যাগ করুন। একান্ত প্রয়োজন হলে দুপুরের দিকে ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘন্টার ছোট ঘুম বা বিশ্রাম নেয়া যেতে পারে। ●    প্রতিদিন হাটা, ইয়োগা করা বা অন্য কোন ব্যায়ামের মাধ্যমে শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তুলুন। ইয়োগার নির্দিষ্ট কিছু আসন বা পোজ আছে যা ভাল ঘুমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ●    শোবার ঘরের বিছানাটি পরিচ্ছন্ন রাখুন এবং ঘুমানো ছাড়া অন্য কোন কাজ যেমন খাওয়াদাওয়া বা অন্য কোন জিনিসপত্র রাখা ইত্যদি থেকে বিরত থাকুন। ●    আপনার পরিকল্পনা, চিন্তা বা দুশ্চিন্তাগুলোর জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় বের করুন। সেসময়য়ই সেগুলো নিয়ে ভাবুন বা সমধানের চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে ডায়রিতে লিখে ফেলুন যাতে ঘুমের সময় এগুলো আপনাকে জ্বালাতে না পারে। আর কালকে কি করতে চান তার লিস্ট রাতে ঘুমানোর আগেই করে ফেলুন তাহলে সকালে ঘুম থেকে উঠার জন্য চাপ বোধ করবে ও ঘুম কমাতেও সাহায্য করবে।  গ্রাহক পারিবারিক জীবনে সমস্যাগুলো কি শেয়ার করা যায়? আপনার পারিবারিক জীবনের সমস্যা সমাধানে কারা সাহায্য করতে পারে ভেবে দেখা যায়? আর আপনি নিজে কিকি করতে পারেন জানাতে পারেন। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। মায়া আপনার পাশে রয়েছে সবসময়। 

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও