সম্মানিত গ্রাহক,আপনার প্রশ্নের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার প্রশ্ন থেকে স্পষ্ট যে আপনি আপনার বিষয়ে বেশ সচেতন। এই সচেতনতা আপনাকে আপনার সমস্যা থেকে বের হতে সাহায্য করবে বলে মনে করছি। আপনার জীবন সম্পর্কে আপনার চেয়ে ভাল কেও জানে না। তাই আপনি যদি একটি রুটিন করে ফেলতে পারেন সেটা আপনাকে সাহায্য করবে বলে মনে করছি। এই রুটিন অনুসরণ করার জন্য খুব বেশি কঠিন রুটিন না করে মানানসই একটি রুটিন দিয়ে শুরু করতে পারেন। আপনার পড়াশুনার বিষয় নিয়ে সচেতনতা সত্যিই প্রশংসনীয়। আপনারপড়াশুনার এই সমস্যাটা কখন থেকে হচ্ছে অনুগ্রহ করে আমাদের জানাবেন কি? গ্রাহক, পড়াশুনা আপনার জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ তা আপনি জানেন কি? যে যে কারণে পড়াশুনা আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তা একটি কাগজে লিখে ফেলুন। পড়াশুনা আপনাকে কিভাবে আপনার কাংখিত লক্ষ্যে পৌঁছে দিবে সেটাও লিখে ফেলুন। কাগজটি আপনার সামনে বা টেবিলে রাখুন যাতে আপনি তা সব সময় দেখতে পারেন।শুরুতে আপনি এক সপ্তাহ টানা প্রতিদিন কয়েক ঘন্টা করে পড়ুন। একেবারে না পড়ার চাইতে এটা অন্তত কিছু পড়া হলো। সহজে মেনে চলতে পারবেন এরকম একটা রুটিন করে রাখুন। দিনে ২/৩ ঘণ্টা করে প্রতিদিন পড়লেই কিন্তু অনেক পড়া হয়, ভালো ফলাফল লাভ করা যায়। প্রথম সপ্তাহের পর দ্বিতীয় সপ্তাহে সময়টা ১ ঘণ্টা বাড়িয়ে ফেলুন। প্রতি ৩০ মিনিট পরপর বিরতি নিতে পারেন। নিজেকে একটা টার্গেট দিবেন, যেমন এই সপ্তাহে বাংলা দুটা কবিতা পড়তে হবে। টার্গেট পূরণ করলে নিজেকে উপহার দিন। সেটা বন্ধুদের সাথে কিছুক্ষণ আড্ডা দেওয়া, নতুন গল্পের বই পড়া, পছন্দের কিছু খাওয়া বা আপনার পছন্দের যে কোন কিছুই হতে পারে। সপ্তাহে ১ দিন পুরো সপ্তাহের পড়াগুলো রিভাইস করুন, মাসে দুবার পুরো মাসের পড়াটা রিভাইস করুন। পড়ার পাশাপাশি বারবার লিখে লিখে জিনিসগুলো প্র্যাকটিস করুন। এতে পড়া বেশ মনে থাকে। পড়তে বসার সময় ফোন, ল্যাপটপ সব দূরে রাখুন। বন্ধুরা কেউ কল/ টেক্সট করলে সেটার উত্তর পরেও দিতে পারবেন। পড়ার সময়টা শুধু পড়ার জন্যই রাখুন। দেখবেন কিছুদিনের মধ্যেই পড়ার অভ্যাস গড়ে উঠবে, পড়তেো তেমন খারাপ লাগবে না।অনেক সময় পড়তে বসলে আমাদের মাথায় বিভিন্ন চিন্তা ঘুরপাক খেতে থাকে। চিন্তাগুলো করার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় সেট করুন এবং ঐ সময়ের জন্য চিন্তাগুলো করার জন্য রেখে দিয়ে পড়ায় মনোযোগী হউন। প্রথম প্রথম দেখবেন চিন্তাগুলো তারপরও আস্তে থাকবে। নিয়মিত প্রাকটিস করলে চিন্তাগুলো আসা কমে যাবে।আশা করিআপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে মায়াকে জানাবেন। আপনার পাশে সব সময় আছে মায়া।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও