প্রিয় গ্রাহক,আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার কথা থেকে বুঝতে পারছি আপনি  অনেক বেশি সময়টা ফোন ব্যবহার করে কাটাছেন। আপনি নিজেকে নিয়ে অনেক সচেতন তাই এটা থেকে বের হতে চাচ্ছেন। এটা শুনে ভাল লাগছে। আসলে পরির্বতিত হতে হলে আগে নিজের পরিবর্তনের জায়গা গুলো খুজে বের করতে হয় এবং নিজেকে পরির্বতন করার ইচ্ছা থাকতে হয়। আপনার মাঝে দুই টাই আছে। তাই আপনি চেষ্টা করলে এটা থেকে বের হতে পারবেন বলে আশা করছি।                                                                                                                                                     আমাদের জীবন যাপনের একটি অপরিহার্য উপাদান হল মোবাইল ফোন। মোবাইল ছাড়া আমরা এক মুহূর্তও কল্পনা করতে পারিনা।আর সবার মত বর্তমান সময়ে আপনার হাতেও একটি মোবাইল ফোন থাকাটা স্বাভাবিক। তবে আপনার মোবাইল ফোনের সাথে যদি নিজেকে মানসিকভাবে জড়িয়ে ফেলেন তাহলে ব্যাপারটা আর স্বাভাবিক থাকে না। এটা এক ধরণের আসক্তি। এই আসক্তি বা রোগের নাম নোমোফোবিয়া। বিজ্ঞানীদের মতে, বর্তমানে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই ফোবিয়া বা ভীতি বেশি দেখতে পাওয়া যায়। ফোন না থাকার ভীতি বা নোমোফোবিয়ায় এমন অনেক কিছু ঘটে যা খুব বেশি বড় আর চোখে পড়ার মত না হলেও, একটু একটু করে মানসিক নানাবিধ সমস্যা তৈরি করে।                                                                                                                                                                                                                                                                  মোবাইল ফোন থেকে দূরে থাকার কিছু উপায়ঃঅযথা বার বার মোবাইল চেক করা থেকে বিরত থাকুন।দিনের নির্দিষ্ট একটি সময় মোবাইলকে নিজের কাছ থেকে দূরে রাখুন। অন্যথায়, চোখের সামনে ফোন থাকলে বা ফেসবুক এবং অন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে বারবার নোটিফিকেশন আসলে আপনি মোবাইল ব্যবহার করতে বাধ্য হবেন।পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে বেশি সময় কাটান। আর যখন ফোন সঙ্গে থাকবে তার ব্যবহার সীমিত করুন।ঘুমানোর আগে ফোন বন্ধ করে রাখুন/ দূরে রেখে/সাইলেন্ট করে ঘুমান।অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো বন্ধ করে রাখুন। কারণ সেগুলোও মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটায়।বই পড়ার অভ্যাস গরে তুলুন।খেলাধুলায় মনযোগ দিন।ফোন এর অ্যাপগুলো বন্ধ করে  laptop এ ব্যবহার করা। কারন যেটা সহজে ব্যবহার করা যায় সেটায় আমরা বেশি সময় দেই।                                                                                                                                                                                                                                                                        আর পড়ালেখায় মনোযোগ আনার জন্য যেটা করতে পারেন ধীরে ধীরে একবার হলেও সব গুলো বিষয় রিডিং পড়ার চেষ্টা করতে পারেন।তাহলে কিছুটা হলেও কনফিডেন্স আসবে বলে আশা করছি। কারন অনেক দিন না পড়লে বা অনেক পড়া জমে গেলে অনেক চাপ অনুভব হয় এবং তখন পড়তে ইচ্ছাও কম হয়।আর যে দিন এর পড়া সে দিন শেষ করার চেষ্টা করা। একটা রুটিন মেইনটেইন করে পড়া শুনা করার চেষ্টা করুন।   আর পড়ায় মন আনার জন্য যেটা করতে পারেন আপনার কিছু ভাল বন্ধু যারা পড়া লিখা নিয়ে ব্যস্ত থাকে তাদেরকে অনুসরণ করতে পারেন বা তাদের সাথে   group study করতে পারেন এতে পড়ায় কিছু টা মন আসতে পারে। পড়লে কি হবে বা আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি এটা নিয়ে ভাবতে পারেন তাহলে বুঝতে পারবেন আপনার কি করা উচিত হবে। এছাড়া motivational speech শুনতে পারেন এতে কিছু টা পড়ার পড়ার প্রতি আগ্রহ আসে।পড়ার পরিবেশ ও ভাল হওয়া উচিত তাহলে পড়ায় মন বসে।এক টানা না পড়ে পড়ার মাঝে মাঝে কিছু সময় gap নিয়ে পড়তে পারেন।এছাড়া যে বিষয় টা পড়তে আপনার ভাল লাগে সেটা আগে পড়ুন এতে পড়তে ও ইচ্ছা করবে। প্রথমে কঠিন দিয়ে শুরু করলে পড়তে তেমন মন চাইবে না। সারাদিন পরিশ্রম করলে এবং রাতে ঠিক মতন না ঘুমালে ক্লান্ত লাগতে পারে। তাই রাতে পরিমিত ঘুমানোর চেষ্টা করা।  আশা করি এই বিষয় গুলো আপনাকে পড়ার দিকে motivated করবে।                                                                                                                                         আশা করি কিছুটা সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে মায়াকে জানাবেন। আপনার প্রয়োজনে রয়েছে পাশে সব সময় মায়া।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও