প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রথমত, যে টিকা টি বাচ্চার জন্মের সাথে সাথেই দেয়া হয় তা হচ্ছে বিসিজি। এটি যক্ষা রোগের বিরুদ্ধে দেয়া হয়। বাচ্চার বাম হাতে চামড়ার ভিতরে এই টিকা দেয়া হয়। মনে রাখবেন, এই টিকা দিলে টিকার স্থানে সামান্য ঘা হয়ে পেকে যাবে। আর এই ঘা না হলে ধরে নিতে হবে, টিকা কার্যকর হয়নি। সেক্ষেত্রে এই টিকা বাচ্চাকে আবার দিতে হবে। টিকার দেয়ার পরে শিশুর সামান্য জ্বর আসতে পারে। এতে ভয়ের কিছু নেই। জ্বর ১০১ডিগ্রী এর বেশি হলে স্বাস্থ্যকর্মী অথবা ডাক্তারকে ফোন দিয়ে পরামর্শ গ্রহণ করুন। বাচ্চার বয়স ৪২ দিন হলেই তাকে ২য় ডোজ টিকা দেয়ার জন্য টিকা কেন্দ্রে নিয়ে আসুন। ৪২ দিন বয়সে বাচ্চাকে ২ ফোঁটা পোলিও টিকা মুখে খাওয়ানো হয়। এর সাথে সাথে ডান পায়ে নিউমোনিয়ার টিকা দেয়া হয়। আর বাম পায়ে দেয়া হয় আর একটি টিকা।আসলে, বাম পায়ের টিকা টি একটি ইঞ্জেকশন হলেও এটি পাঁচটি রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে।রোগ গুলো হচ্ছে- ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি, ধনুষ্টংকার, হেপাটাইটিস-বি, হেমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা- বি। ২য় ডোজ দেয়ার ২৮ দিন পর বাচ্চাকে ৩য় ডোজ টিকা দিতে হবে। ৩য় ডোজ টিকায় আসলে ২য় ডোজের টিকাগুলোই আবার দেয়া হয় রোগের বিরুদ্ধে স্থায়ী প্রতিরোধ তৈরী করার জন্য। ৪র্থ ডোজ টিকা ৩য় ডোজ টিকা দেয়ার ২৮ দিন পর দিতে হবে। এক্ষেত্রেও ২য় ডোজের সেই টিকাগুলোর পাশাপাশি আইপিভি নামক একটি ভ্যাক্সিন দেয়া হয় পোলিও রোগের বিরুদ্ধে স্থায়ী প্রতিরোধ তৈরী করার জন্য। ৫ম ডোজ টিকা ৪র্থ ডোজের ২৮ দিন পর দেয়া হয়। এ সময়ে আসলে নিউমোনিয়ার জন্যে বাচ্চাক পিসিভি নামক একটি ইঞ্জেকশন দেয়া হয়। ৬ষ্ঠ ডোজটি ৫ম ডোজের অনেক পরে অর্থাৎ শিশুর বয়স যখন ৯ মাস তখন দেয়া হয়। এই সময়ে বাচ্চাকে হাম এবং রুবেলা রোগের বিরুদ্ধে একটি ইঞ্জেকশন দেয়া হয়। অনেকদিন পরে দেয়া হয় বলে অধিকাংশ মা এই টিকা টি তার বাচ্চাকে দিতে ভুলে যান। অথচ এ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে মনে রাখা উচিত। গ্রাহক,টীকারর ব্যথা কমাতে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নাপা সিরাপ খাওয়া তে পারেন। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও