প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সিফিলিস রোগ নিরাময়ে দেরি করলে শরীরের অভ্যন্তরীণ প্রত্যঙ্গ যেমন_ মস্তিষ্ক, স্নায়ু, চোখ, হৃদযন্ত্র, রক্ত, ধমনি, যকৃৎ, হাড় ও সন্ধি প্রভৃতি ক্রমেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই অভ্যন্তরীণ ক্ষতি বহু বছর পর বোঝা যায়। সিফিলিসের শেষের দিকের অবস্থার লক্ষণ ও উপসর্গগুলোর মধ্যে মাংসপেশি পরিচালনায় অসুবিধা, অসাড়তা, অবশভাব, ক্রমেই অন্ধত্ব ও স্মৃতিভ্রংশ অন্যতম। এ রোগের অবস্থা আরও জটিল হতে থাকে এবং এক সময় হৃৎপি ও মস্তিষ্কে ছড়িয়ে পড়ে, যা রোগীকে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায়। রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে এ রোগ শনাক্ত করা যায়। প্রত্যেক গর্ভবতী নারীর সিফিলিসের পরীক্ষা করা উচিত। এ ছাড়া রক্ত পরিসঞ্চালনের সময়ও এই পরীক্ষা করা উচিত। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করলে প্রাথমিক পর্যায়েই সিফিলিস পুরোপুরি ভালো হয়। স্বামী-স্ত্রী বা যৌনসঙ্গী উভয়ের চিকিৎসা নেওয়া উচিত। অন্যথায় এই ইনফেকশন সঙ্গীর কাছ থেকে আবার হতে পারে। একবার সিফিলিস হলে দ্বিতীয়বার তা হবে না এমন নিশ্চয়তা নেই। সফল চিকিৎসার পরও পুনঃসংক্রমণের ঝুঁকি থেকে যায়। সিফিলিস থাকলে এইচআইভি-এইডস সংক্রমণের ঝুঁকি প্রায় দুই থেকে পাঁচ গুণ বেড়ে যায়। তাই সংক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও